
বাংলাদেশি মডেল শান্তা পালের নামে চারটি গাড়ি, দুটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। গেস্ট হাউস তৈরির জন্য ঋণ নিয়েছিলেন। বিক্রমগড়ে শান্তা পালের গ্রেফতারির পর তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই বাড়ছে রহস্য। তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে শান্তার নামে চারটি গাড়ি রয়েছে।
সেগুলো ব্যবসায় খাটানো হত। ওই গাড়িগুলো কার নামে কেনা হয়েছে, তাও তদন্ত করে দেখেছে পুলিশ। পাশাপাশি একটি গেস্ট হাউস কেনার পরিকল্পা ছিল শান্তার। তারজন্য ঋণও নিয়েছিলেন। তবে সেই ঋণ শান্তা নিজের নামে নেননি বলে অনুমান তদন্তকারীদের। যাদবপুরের কাছে বিক্রমগড় থেকে গ্রেফতার করা হয় শান্তা পালকে। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে একই নম্বরের দুটি আধার কার্ড পেয়েছে পুলিশ। একটি কলকাতা এবং অন্যটি বর্ধমানের ঠিকানার। শান্তার নামে একটি ভোটার কার্ডও পেয়েছে। সেটি নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হয়েছে যাচাইয়ের জন্য। জুলাই মাসে শান্তার ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়ার পরেও কেন তিনি এরাজ্যে থাকছিলেন তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ জানতে পেরেছে আদতে বরিশালের বাসিন্দা হলেও ২০২৩ থেকে যাদবপুরের কাছে বিক্রমগড়ে বাড়ি ভাড়া করে থাকছিলেন।
বাংলাদেশে মডেলিংয়ের পাশাপাশি সিনেমাতেও কাজ করেছেন। ২০১৯ এ একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। একটি তেলেগু ছবিতেও কাজ করেছেন। কিভাবে সুযোগ পেয়েছিলেন তা দেখছে পুলিশ।




