
কংগ্রেস নেত্রী হিমানী নরওয়ালকে মোবাইলের চার্জারের তার দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। এমনটাই জানিয়েছে হরিয়ানা পুলিশ।
খুনের ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই সচিন নামে এক জনকে গ্রেফতার করেছে। হরিয়ানার রোহতকে নিজের বাড়িতেই হিমানীকে খুন করা হয়। তার পর তাঁর দেহ ট্রলিতে ভরে ফেলে আসা হয় সাম্পলা বাসস্ট্যান্ডের কাছে হাইওয়ের ধারে, এমনই জানালেন তদন্তকারীরা।পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, হিমানীকে খুন করেন শচীনই! পুলিশি জেরায় সেই কথা স্বীকারও করেন ধৃত। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত বিবাহিত। ঝাজ্জর জেলার একটি মোবাইল দোকান চালান। রোহতকের এডিজিপি কৃষ্ণকুমার রাও বলেন, শচীনের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলাপ হয়েছিল হিমানীর। রোহতকে একাই থাকতেন হিমানী। সেই বাড়িতে যাতায়াত ছিল শচীনের। ২৭ ফেব্রুয়ারি অভিযুক্ত হিমানীর বাড়ি এসেছিলেন। কোনও এক বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে ঝগড়া হয়। অশান্তির মাঝেই মোবাইল চার্জারের তার গলায় পেঁচিয়ে হিমানীকে খুন করেন অভিযুক্ত! শচীন একা, নাকি খুনের নেপথ্যে আরও কেউ জড়িত রয়েছেন, সেই প্রশ্নও উঠছে। হিমানীর মা সবিতা বার বার দাবি করছেন, কোনও এক জন ব্যক্তির পক্ষে এ কাজ করা সম্ভব নয়। তাঁর কন্যার খুনে একাধিক ব্যক্তি জড়িত রয়েছেন বলে মনে করছেন তিনি। পুলিশও সেই দাবি উড়িয়ে দিচ্ছে না।
পুলিশের দাবি, খুন করার পর হিমানীর গয়না, মোবাইল এবং ল্যাপটপ লুট করা হয়। তার পর দেহ ওই বাড়িতে থাকা একটি ট্রলিতে ভরে ফেলে আসা হয়।
