
মোবাইল চুরির অভিযোগে কিশোরকে উল্টো ঝুলিয়ে ইলেকট্রিক শক, নির্যাতনের অভিযোগে মূল অভিযুক্ত শাহেনসা সহ ৫ জনকে গ্রেফতার করা হলেও কোনও খোঁজ নেই নাবালকের।
সন্তোষপুরের কারখানায় নির্যাতনের পর কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে নাবালককে। ধৃতদের বয়ানে বারবার অসঙ্গতি ধরা পড়ে। ফলে নাবালককে খুঁজে পেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশকে। বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে তদন্তকারী অফিসাররা। শুক্রবার কারখানা সংলগ্ন ঝোঁপঝাড়ে তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। জানা গিয়েছে মাস দেড়েক আগে এক পরিচিতের মাধ্যমে মহেশতলার রবীন্দ্রনগরের একটি জিনসের প্যান্ট রং করার কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছিল ইসলামপুরের বাসিন্দা বছর ১৪-র কিশোর। কারখানার মালিকের মোবাইল চুরির অভিযোগে কিশোরকে উল্টো ঝুলিয়ে ইলেকট্রিক শক দেওয়া হয়।
সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই কারখানার ২ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে পালিয়ে যায় কারখানার মালিক শাহেনশা। বৃহস্পতিবারই বছর আঠাশের শাহেনশা সহ আরও দুই জনকে মুম্বই থেকে গ্রেফতার করে রবীন্দ্রনগর থানার পুলিশ।








