
রাজ্যের ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস কঠোর হাতে দমন করতে জেলা পুলিশ সুপার ও প্রশাসন কড়া বার্তা দিয়েছে। জেলায় জেলায় যে হিংসা-অশান্তির ঘটনা ঘটছে তা কঠোর হাতে করে দমন করার বার্তা দিয়েছেন একাধিক জেলার পুলিশ সুপার।
নির্বাচনের পর থেকে পশ্চিম বর্ধমানে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। কোনও অশান্তি বরদাস্ত করা চলবে না, সাংবাদিক বৈঠক করে একযোগে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার প্রণব কুমার ও জেলাশাসক এস পন্নবালম, ডিএফ ও শুনিল কুমার সিং। ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে বীরভূম জেলা প্রশাসন। জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জেলা কো-অর্ডিনেটর যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। হিংসা রুখতে শান্তির বার্তার আবেদন রানাঘাট পুলিশ ডিসটিক পুলিশ সুপারের। ইতিমধ্যেই রানাঘাট পুলিশ জেলায় প্রায় ৩০ জন গ্রেফতারের হয়েছে। ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা নিয়ে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে হাওড়া জেলা প্রশাসন। অভিযোগ পেলেই রঙ না দেখে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বুধবার হাওড়ার জেলাশাসক ডাঃ পি দিপাপ প্রিয়া, নগরপাল অখিলেশ চতুর্বেদী ও জেলার-গ্রামীণ পুলিশ সুপার সুবিমল পাল এক যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে একথা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন। ভোট পরবর্তী হিংসা বরদাস্ত নয়, কড়া বার্তা পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা প্রশাসনের।এদিকে, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ডিএম অভিষেক কুমার তিওয়ারি বলেছেন কোনওভোট পরবর্তী সন্ত্রাস হয়নি, হলে পুলিশ কড়া হাতে ব্যবস্থা নেবে, জিরো টলারেন্স নেওয়া হবে।
সব জায়গায় পুলিশি টহলদারি চলছে।ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সজাগ সুন্দরবন পুলিশ সুপার। সুন্দরবন পুলিশ সুপার বিশ্ব চাঁদ ঠাকুর সাংবাদিক বৈঠক থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন থাকার কথা বলেছেন।








