
অভিজাত আবাসন আরবানার কাছে আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত ডেকরেটর্সের গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার তাঁকে বারুইপুর আদালতে তোলা হলে ৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৭ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
পুলিশ সূত্রে খবর গঙ্গাধরের বিরুদ্ধে এর আগে ৫৭ টা মামলা হয়েছিল। প্রত্যেকটাতেই জামিন পেয়ে গিয়েছেন তিনি। এদিকে এখনও পর্যন্ত মোমো কোম্পানির কাউকেই গ্রেফতার করতে পারে নি পুলিশ। এদিকে আনন্দপুরের নাজিরাবাদে অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২১। বেশ কয়েকটি দেহাংশ পাওয়া গিয়েছে। সেগুলোকে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এখনও অনেকেরই খোঁজ মিলছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেফতার গঙ্গাধর দাস ৪০ বছরের বেশি সময় ধরে ডেকরেটিংয়ের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ধীরে ধীরে তাঁর ব্যবসা ফুলেফেঁপে ওঠে। রবিবার রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদে তাঁর ডেকরেটিংয়ের গুদাম ভস্মীভূত হয়েছে। তারপর থেকে পলাতক ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরির বাসিন্দা গঙ্গাধর। ৪০ বছর আগে নিজের এলাকায় ডেকরেশনের ব্যবসা শুরু করেছিলেন।
প্রথমে জেলার মধ্যে নানা অনুষ্ঠানের বরাত নিতেন। এরপর নানারকম প্লাস্টিকের ফুল নিয়ে কারিগরদের দিয়ে অনুষ্ঠানবাড়ি সাজানোর কন্ট্রাক্ট নিতে শুরু করেন। বিদেশ থেকেও বিভিন্ন সামগ্রী আমদানি করতেন। ধিরে ধিরে ফুলেফেঁপে উঠতে থাকেন গঙ্গাধর। এরপর কলকাতার নাজিরাবাদে গুদাম নেন তিনি। সেখানেই তাঁর এলাকার বহু মানুষ কাজ করতেন। গাফিলতির কারণে দুর্ঘটনা এই ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।
