
ঘুষখোর পণ্ডিত সিনেমা নিয়ে উত্তপ্ত রাজনৈতিকমহল। নামের জেরেই ঘোর আইনি বিপাকে মনোজ বাজপেয়ীর আসন্ন সিনেমা। পণ্ডিত-এর আগে ঘুষখোর শব্দটি নিয়েই যত বিতর্কের ঝড়।
ক দিন আগে টিজার প্রকাশ্যে এনে সিনেমার ঘোষণা করার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই জোড়া মামলার ফলায় বিদ্ধ হন সিনেনির্মাতারা। অভিযোগ, ঘুষখোর পণ্ডিত নামে সমূহ ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে অপমান করা হয়েছে। আর সেই মর্মেই দিল্লি হাই কোর্টে মামলার পর উত্তরপ্রদেশেও আইনি জটিলতায় পড়তে হয় নীরজ পাণ্ডে পরিচালিত সিনেমাকে। কেন্দ্রের কাছেও মুখ পুড়েছে নেটফ্লিক্সের! সংশ্লিষ্ট ওটিটি প্ল্যাটফর্মকে ছবির প্রচারঝলক সরানোর নির্দেশ দেওয়া হয় তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের তরফে।এবার খবর, তুমুল আইনি বিতর্কের জেরে সিনেমার নাম বদলাতে রাজি হয়েছে নেটফ্লিক্স।আইনজীবী বিনীত জিন্দালের মারফৎ মহেন্দ্র চতুর্বেদী নামে জনৈক ব্যক্তি মনোজ বাজপেয়ীর সিনেমার বিরুদ্ধে হাই কোর্টে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ,পণ্ডিতের সঙ্গে কেন ঘুষখোর শব্দটি রাখা হল? জানা গিয়েছে, ওই মামলাকারী ভারতীয় ধর্মগ্রন্থ অধ্যয়ণ ও শিক্ষাদানে নিবেদিত একজন আচার্য। আর সেই প্রেক্ষিতেই সমূহ ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের হয়ে অপমানের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছেন তিনি।আদালতে মামলা দায়ের করে তাঁর যুক্তি, পণ্ডিত শব্দটি ঐতিহাসিকভাবে পাণ্ডিত্য, নীতিশাস্ত্র এবং আধ্যাত্মিক নির্দেশনার প্রতীক। আর সেটাকেই কিনা সিনেমার শিরোনামে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হল, এটা তো ন্যায়সংহিতার ১৪, ২১ এবং ২৫ অনুচ্ছেদ লঙ্ঘন করে।সেই মামলার প্রেক্ষিতেই নেটফ্লিক্সের তরফে দিল্লি হাই কোর্টকে জানানো হয়, ঘুষখোর পণ্ডিত-এর প্রযোজকরা সচেতনভাবেই সিনেমার নাম বদলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ছবির নাম নিয়ে চলতি উদ্বেগের আবহে অন্য কোনও শিরোনামে সিনেমাটিকে আনা হবে বলে জানায় নেটফ্লিক্স। যদিও নির্মাতাদের তরফে নতুন কোনও নাম এখনও পর্যন্ত প্রকাশ্যে আনা হয়নি।
