
রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সফরে কোনও প্রোটোকলই ভাঙেনি জেলা প্রশাসন। অভিযোগ উড়িয়ে এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে তিনি এ-ও বুঝিয়ে দেন, রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত বা বিদায় জানাতে কারা উপস্থিত থাকবেন, তা দু’পক্ষের আলোচনার মাধ্যমেই স্থির হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এবং নবান্নের মধ্যে নথি চালাচালির তথ্যও প্রকাশ্যে এনেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী এ-ও জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির দফতর থেকে অনুমোদিত লাইনআপ অনুযায়ীই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁকে স্বাগত এবং বিদায় জানানোর সময়ে উপস্থিত ছিলেন। ওই লাইনআপ-এ মুখ্যমন্ত্রীর নাম ছিল না। প্রশাসনের তরফে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব, দার্জিলিঙের জেলাশাসক মণীশ মিশ্র এবং শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার সি সুধাকরের থাকার কথা ছিল। বিমানবন্দরে তাঁরা রাষ্ট্রপতিকে স্বাগতও জানিয়েছিলেন। এদিক, পাল্টা মুখ্যমন্ত্রীর এই ব্যাখ্যার পর ভিডিও বাইট ও এক্স পোস্টে সরব হয়েছে বিজেপি। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, রাষ্ট্রপতিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আক্রমণ আবারও প্রমাণ করে দিয়েছেন তিনি নারী ও আদিবাদী বিদ্বেষী। আর মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরণের মন্তব্য বলে দিচ্ছে ভয়ে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
অন্যদিকে, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এক্স পোস্টে ছবি সহকারে লিখেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অহংকার ও দম্ভ চরমে পৌঁছেছে, উনি ধরা কে সরা জ্ঞান করেছেন। রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মান ও মর্যাদা ওনার কাছে কোনো গুরুত্ব পায়না, উনি সব কিছুতেই রাজনৈতিক লাভ লোকসান খোঁজেন। মানুষ সব চাক্ষুষ করছে, এর ফল উনি শিগগিরই হাতেনাতে পাবেন।





