
গাজায় যুদ্ধবিরতি ও পণবন্দী মুক্তি নিয়ে কাতারের দোহায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে বড় আকারে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়া এড়াতে দোহার আলোচনায় গাজা যুদ্ধবিরতি সম্মত হতে লড়াইরত পক্ষগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে।
এদিকে ১১ মাস ধরে চলা গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় নিহতের সংখ্যা ৪০ হাজার ছাড়িয়েছে। কাতার, মিসর,আমেরিকা ও ইসরায়েলের কর্মকর্তারা আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন।হামাস এতে সরাসরি অংশ নিয়েছে কি না তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।গত ৩১ জুলাই হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়া ও হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর কমান্ডার ফুয়াদ শোকর হত্যা ঘিরে ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার পারদ চড়েছে।এই দু’ দেশের মধ্যে সরাসরি লড়াই বেঁধে গেলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বিস্তৃত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে।এতে গাজায় যুদ্ধবিরতি উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে।এর আগে ইরান, হামাস ও ইসরায়েলকে পরোক্ষভাবে সাবধান করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন এবং কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মেদ বিন আবদুলরহমান আল থানি বলেছেন, এই অঞ্চলের কোনো পক্ষের এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত হবে না, যা কি না যুদ্ধবিরতি চুক্তির উদ্যোগকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর মধ্যে আমেরিকা, মিসর ও কাতারের মধ্যস্থতাকারীরা যুদ্ধবিরতি আলোচনার জন্য ইসরায়েল ও হামাসকে আমন্ত্রণ জানায়। দোহার আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে ,দোহার আলোচনায় মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর পরিচালক উইলিয়াম বার্নসের অংশ নেওয়ার কথা।
