
সুপারিশ যখন করেছিলেন তখন তাঁরা তৃণমূল ছিলেন। প্রথামিকে চাকরির সুপারিশ নিয়ে সিবিআইএর চার্জশিটে ভাই দিব্যেন্দু নাম জড়াতেই দাবি শুভেন্দু অধিকারীর।
রাজ্যের বিরোধী দলনেতার আরও দাবি এই সুপারিশে যদি কারও চাকরি হয়ে থাকলে, তাদের জেরার কাজ তো করেনি সিবিআই। শুভেন্দু অধিকারীর দাবি ২ বছর আগেই নিম্ন আদালতে সিবিআই এই নথি দিয়েছিলো। তিনি আরও বলেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দফতর থেকে যে সুপারিশ চিঠি মানিক ভট্টাচার্য-র দফতরে গিয়েছিলো তার কপি মাত্র। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা আরও বলেছেন যাঁদের নাম ওই লিস্টে আছে, তাদের কয়েকজন তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসেছেন। কিন্তু তাদের সুপারিশে একজনেরও চাকরি হয়নি বলে দাবি শুভেন্দু অধিকারী। প্রাথমিকে চাকরির জন্য তমলুকের তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ বর্তমানে বিজেপি নেতা দিব্যেন্দু অধিকারী, বনগাঁর তৎকালীন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর, পশ্চিম মেদিনীপুরের তখনকার পুলিশ সুপার বর্তমানে বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ, তৃণমূল নেতা সওকত মোল্লারা সুপারিশ করেছিলেন। সুপারিশপত্র রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে পাঠানো হয়েছিল চার্জশিটে উল্লেখ করেছে সিবিআই। সিবিআইয়ের দাবি ৩২৪ জনের চাকরির সুপারিশ করা হয়েছিল। সিবিআইয়ের দাবি এদের মধ্যে ১৩৪ জন চাকরি পেয়েছে।
প্রভাবশালীদের সুপারিশের সূত্রেই খুলবে তদন্তের নতুন অধ্যায়। এমনটাই দাবি করেছে সিবিআই।





