
ব্রিটেনে আরও এক মন্ত্রী ইসকোফা দিয়েছেন। এই নিয়ে মোট চারজন প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের মন্ত্রিসভা থেকে সরে গিয়েছেন। শেষ পদত্যাগ করেছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সরকারি মন্ত্রী জুবাইর আহমেদ। তবে চার মন্ত্রীর পদত্যাগের পরেও প্রধানমন্ত্রীর পদ আঁকড়ে থাকতে মরিয়া স্টারমার।
তাঁর সাফ কথা তিনি সরে গেলে দল ও সরকারে বিশৃঙ্খলা আরও বাড়বে। শুধু তাই নয়, স্টারমারের পদত্যাগের দাবি ঘিরে লেবার পার্টিতে বড় ধরনের বিভাজন তৈরি হয়েছে। এদিকে মন্ত্রিসভা এবং লেবার পার্টির বৈঠকে স্টারমারের পক্ষেও সওয়াল করেছেন দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা। প্রথম ইস্তফা দেন মন্ত্রী মাইতা ফাহনবুল্লেহ। নিজে ইস্তফা দেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারকেও সরে যেতে বলেন লেবার পার্টির এই নেত্রী। উল্লেখ্য,ফাহনবুল্লেহ ছিলেন ব্রিটেনের স্থানীয় সরকার, ধর্ম ও কমিউনিটি বিষয়ক মন্ত্রী। গত সপ্তাহে ব্রিটেনে স্থানীয় সংস্থার নির্বাচনেই লেবার পার্টির বিপর্যয়ের পর স্টারমারের পদত্যাগের দাবি জোরালো হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাহনবুল্লেহ প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে লেখেন, আপনার সরকার মানুষের আস্থার প্রতি সম্মান দেখাতে পারেনি। আমিও মনে করি আপনি ব্যর্থ। আপনি ঘোষণা করুন কত দিনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেবেন। দেশ ও দলের স্বার্থে তাঁকে শৃঙ্খলা মেনে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন পদত্যাগী মন্ত্রী। জানা যাচ্ছে এরপরে পাল্টা তৎপরতা শুরু হয়।
লেবার পার্টির একাংশ স্টারমারের পক্ষে মুখ খুলতে শুরু করে। যদিও স্টারমারের পদত্যাগ চেয়ে লেবার পার্টির আরও ৮৬ জন প্রকাশ্যে সরব হয়েছেন। সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করেছেন ৮৬ জন লেবার এমপি। ব্রিটেনের সংসদীয় দ্বিতীয় অনুযায়ী কোন দলের কুড়ি শতাংশ এমপি অনাস্থা প্রকাশ করলে নেতৃত্বে পরিবর্তন অনিবার্য। কিন্তু লেবার এমপিরা কেউই সরকারিভাবে কোনও পদক্ষেপ করেননি। তাঁরা সংবাদ মাধ্যম এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টারমারের প্রতি তাদের অনাস্থার কথা জানিয়েছেন।








