
সাধারণতঃ অন্ত্রের মধ্যে বাসা বাঁধে অসংখ্য অণুজীব, তার মধ্যে থাকে কিছু উপকারীও। সেই ব্যাক্টেরিয়ার সংখ্যা কমলেই গোলমাল শুরু হয় পেটের।
তখনই দরকার হয় প্রোবায়োটিকের, যা উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। টকদই, ইয়োগার্ট, কিমচি-সহ বেশ কিছু মজানো খাবারে মেলে প্রোবায়োটিক।তা ছাড়া, বাজারচলতি প্রোবায়োটিক সাপ্লিমেন্টও মেলে।তবে এমন খাবার খেলেই কি পেট ভাল থাকবে? চিকিৎসকেরা বলছেন, প্রোবায়োটিক অন্ত্রে ভাল ব্যাক্টেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি করে, তার ফলে হজমের সমস্যা কমে। পেট ভাল থাকে। তবে শুধুই প্রোবায়োটিক পেটের সমস্যার সমাধান নয়। বরং এক নয়, একাধিকে ভরসা করতে বলছেন চিকিৎসকেরা। পেটের স্বাস্থ্য ভাল রাখতে হলে দরকার ফাইবারও। আর সেই কারণেই তালিকায় রাখা দরকার একাধিক শাক এবং সব্জি।দানাশস্য, ফল, শাকসব্জি নিয়মিত পাতে রাখা দরকার। উদ্ভিজ্জ এই খাবারগুলি শুধু অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখে না, হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে, শরীরে ভিটামিন-খনিজ জোগাতেও সাহায্য করে। বিপাকহার উন্নত করে, প্রদাহ কমায়।গাট বা পরিপাকতন্ত্রের স্বাস্থ্যরক্ষা শুধু উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার সংখ্যাবৃদ্ধি দিয়ে হয় না, এর সঙ্গে বিপাকক্রিয়া, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতারও যোগ থাকে। বিপাকহার কমে গেলে বা প্রদাহ তৈরি হলেও পেটের সমস্যা হতে পারে।তা ছাড়া, নিয়ম করে টকদই,ইয়োগার্ট এমন কী প্রোটিন খেলেও পুষ্টিতে ফাঁক থাকতে পারে যদি খাদ্যতালিকা থেকে ফাইবার, ভিটামিন এবং খনিজ বাদ যায়। আর এই সমস্ত উপাদানের উৎসই হল টাটকা শাক এবং সব্জি। চিকিৎসকের পরামর্শ, পেট ভাল রাখতে হলে, খাবারে ভারসাম্য থাকা জরুরি।
দরকার প্রোবায়োটিক।আসলে কোনও একটি খাবার নয় বরং পরিপাকতন্ত্র ঠিক রাখতে হলে দরকার দলবদ্ধ সহযোগিতা, যা একমাত্র সুষম পুষ্টির মাধ্যমেই পাওয়া সম্ভব।








