
সাধারণতঃ ঋতু বদলের সময় ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি-কাশির মতো সমস্যার উপশমে ভিটামিন সি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। শুধু তাই নয়, শরীরের সামগ্রিক সুস্থতায় এই ভিটামিনের প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত বেশি। হাড়ের গঠন মজবুত রাখা, রক্তনালির স্বাস্থ্য বজায় রাখা এবং ক্ষত দ্রুত সারিয়ে তুলতে এটি কার্যকর।পাশাপাশি, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও ভিটামিন সি অপরিহার্য।
তাই শরীরে এর পর্যাপ্ত মাত্রা থাকা খুব জরুরি। ভিটামিন সির ঘাটতি হলে তা কিছু স্পষ্ট লক্ষণেই বোঝা যায়।যেমন হঠাৎ করে খুব ক্লান্ত লাগা,কোনো রকম কায়িক পরিশ্রম না করেও যদি শরীরে দুর্বলতা বা ক্লান্তি অনুভব করেন, তাহলে সেটি ভিটামিন সির ঘাটতির লক্ষণ হতে পারে।এই ভিটামিন কার্নিটিন নামক একটি উপাদান তৈরিতে সাহায্য করে, যা শরীরের সঞ্চিত চর্বিকে শক্তিতে রূপান্তর করে।আবার,ভিটামিন সির অভাবে থাইরয়েড হরমোনের নিঃসরণ বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়া,খিদে কমে যাওয়া, বুক ধড়ফড় করা বা অতিরিক্ত উদ্বেগ দেখা দিতে পারে।এছাড়া ভিটামিন সিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট কোলাজেন তৈরিতে সহায়তা করে, যা সুস্থ ত্বকের জন্য অপরিহার্য।এর অভাবে ত্বক শুষ্ক, চুলকানিযুক্ত বা জ্বালাযুক্ত হতে পারে।অন্যদিকে,শরীরে ভিটামিন সির ঘাটতি হলে মাড়ি থেকে রক্ত পড়া বা মাড়ির রোগ দেখা দিতে পারে।
মারাত্মক ঘাটতির ক্ষেত্রে স্কার্ভির মতো রোগও হতে পারে। এর বাইরে,ভিটামিন সি শরীরে আয়রনের শোষণ বাড়াতে সাহায্য করে। এর ঘাটতি হলে আয়রনের শোষণ কমে যায়, ফলে রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।








