
বিদেশি সন্দেহে কাউকে চিহ্নিত করা হলে, ১০ দিনের মধ্যে নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে।
অনুপ্রবেশ রুখতে নয়া নিয়মে সায় দিয়েছে অসমের হিমন্ত বিশ্বশর্মার সরকার। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত নিজেই জানিয়েছেন, কেউ নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে না পারলে, তাঁকে অনুপ্রবেশকারী বলে চিহ্নিত করে পদক্ষেপ করা হবে। এত দিন অসমে বিদেশি বা অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিত করার কাজ করে এসেছে ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল। অসমের বিজেপি সরকার এ বার সেই দায়িত্ব জেলা কমিশনারদের হাতে তুলে দিয়েছে। নয়া বিধি অনুযায়ী, বিদেশি সন্দেহে কেউ ধরা পড়লে, নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র জেলা কমিশনারদের হাতেই জমা করতে হবে। তাতে তাঁরা সন্তুষ্ট হলে তবেই রেহাই। অন্যথায় জেলা কমিশনারেরাই যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার নেবেন। তবে বিধি অনুযায়ী, যদি কোনও জেলা কমিশনার সিদ্ধান্ত নিতে না পারেন, তখনই বিষয়টি ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হবে। চলতি বছরের জুনে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিধানসভায় জানিয়েছিলেন, তাঁর সরকার ১৯৫০ সালে অনুপ্রবেশ আইন কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২০২৪ সালে সুপ্রিম কোর্ট অসমে অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে রায় দিয়েছিল, সে কথাও উল্লেখ করেছিলেন হিমন্ত।
সেই রায় অনুযায়ী, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের যাঁরা অসমে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের অনুপ্রবেশকারী হিসাবে চিহ্নিত করা যাবে। সেইমতোই অনুপ্রবেশকারী চিহ্নিতকরণের নয়া বিধিতে মঙ্গলবার অনুমোদন দিয়েছে অসমের মন্ত্রিসভা।






