
ক্লাব বিশ্বকাপের উত্তেজনাপূর্ণ এক ম্যাচে বায়ার্ন মিউনিখকে ২-০ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে পিএসজি। তবে ম্যাচের ফলাফলের চেয়েও আলোচনায় এসেছে বায়ার্ন তারকা জামাল মুসিয়ালার মারাত্মক চোট ও পিএসজির দুই খেলোয়াড়ের লাল কার্ড দেখা।আমেরিকার আটলান্টায় অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে ৭৮ মিনিটে দিজের দুয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে পিএসজিকে এগিয়ে দেন।
আর অতিরিক্ত সময়ে ৯ জনের দলে পরিণত পিএসজির হয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন উসমান দেম্বেলে।ম্যাচের প্রথমার্ধ ছিল গোলশূন্য, কিন্তু দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ। এই অর্ধেই বড় ধাক্কা খায় বায়ার্ন। বায়ার্ন তারকা জামাল মুসিয়ালা বল ধরতে গিয়ে পিএসজি গোলকিপার জিয়ানলুইজি দোন্নারুমার সঙ্গে সংঘর্ষে পড়েন। মাঠেই যন্ত্রণায় ছটফট করতে দেখা যায় মুসিয়ালাকে।তার বাঁ পায়ে চোট এতটাই গুরুতর ছিল যে, স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়তে হয় তাকে। দৃশ্যটি দু’ দলের খেলোয়াড়দেরও আবেগাপ্লুত করে তোলে।প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে বায়ার্নের ডায়োত উপামেকানো গোল করলেও ভিএআরে ধরা পড়ে অফসাইড।এর পরপরই আসে সেই দুঃস্বপ্নের ইনজুরি।দ্বিতীয়ার্ধে গতি পায় পিএসজি। ৭৮ মিনিটে দেজিরেরে দুয়ের নিচু শটে এগিয়ে যায় তারা। কিন্তু এরপরেই ৮২ মিনিটে বাজে ট্যাকল ও ফাউলের কারণে লাল কার্ড দেখে উইলিয়ান পাচো।সাত মিনিট পর লুকাস হের্নান্দেজ লাল কার্ড দেখলে ন’জনের দলে পরিণত হয় পিএসজি।
তবুও হাল ছাড়েনি লুইস এনরিকের দল। প্রতিআক্রমণে ম্যাচের শেষ দিকে বদলি খেলোয়াড় ওসমান দেম্বেলে আশরাফ হাকিমির পাস থেকে গোল করে নিশ্চিত করে দেন দলের জয়।শেষ সময়ে হ্যারি কেইনের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। আর শেষ মুহূর্তে বায়ার্ন একটি পেনাল্টির দাবি করলেও রেফারি অ্যান্থনি টেইলর ভিএআরে দেখে সিদ্ধান্ত বদলে দেন।








