
উল্টোরথে খুঁটিপুজোর মধ্য দিয়ে একটু একটু করে দুর্গাপুজোর প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছিল বালিগঞ্জের ২১ পল্লি। মহালয়ার পরদিন প্রতিপদে তার পূর্ণতা পেল মুখ্যমন্ত্রীর হাত দিয়ে।
প্রদীপ জ্বালিয়ে পুজো উদ্বোধন, নিজের মুখে মন্ত্রোচ্চারণ এবং সবশেষে ছবি এঁকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কার্যত ২১ পল্লির দুর্গোৎসবের সূচনা করেছেন। সোমবার সন্ধেয় সূচনা লগ্নে মুখ্যমন্ত্রীর পাশেই ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, মন্ত্রী-গায়ক বাবুল সুপ্রিয়, বিধায়ক দেবাশিস কুমার, সর্বোপরি সভাপতি সুরেশ শেঠিয়া, অনুরাগ চিরিমার সহ অন্যান্যরা। মুখ্যমন্ত্রীর লেখা এবং সুরে গান গেয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের গড়িমা বাড়িয়েছেন গায়ক বাবুল সুপ্রিয়। এরপরেই নিজে মাইক নিয়ে বাঙালি অস্মিতা নিয়ে ফের একবার সরব হয়েছেন। শুধু মুখেই সরব নন, ক্যানভাসে বাংলা স্বরবর্ণ অ এঁকে সেকথাই বুঝিয়েছেন। ৭৯ তম বর্ষে অচল অনন্ত থিমে এবার অন্যতম সেরা আকর্ষণ হতে চলেছে বালিগঞ্জের ২১ পল্লি। শিল্পীর অনন্য ভাবনায় ফুটে উঠেছে কালের নিয়মে হারিয়ে যাওয়া যানবাহন, মানুষের জীবন চক্র। পুজো মণ্ডপ প্রাঙ্গণে স্টিম, ইঞ্জিন, দোতলা বাস, পুরনো বাস, ট্রাম, আগেকার যানবাহনের টিকিট সবকিছুই কার্যত টাইম মেশিনের মতই মানুষকে পৌঁছে দিয়েছে ফেলে আসা দিনে।
দেবী দুর্গাও বসে রয়েছেন জমিদার বাড়ির ঘোড়ার গাড়ির ওপরে। সব মিলিয়ে ২১ পল্লির পুজো মণ্ডপে গেলে ফেলে আসা দিনে পৌঁছে যেতে বাধ্য।








