
পুণের পোর্শেকাণ্ডে অভিযুক্ত কিশোরকে বাঁচাতে রক্তের ভুয়ো নমুনা দিয়েছিলেন তার মা। পুলিশের তদন্তে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।পুণের পুলিশ কমিশনার অমিতেশ কুমার জানিয়েছেন, সাসুনের সরকারি হাসপাতালে অভিযুক্ত কিশোরের রক্তের নমুনা পরীক্ষার কথা ছিল।
সেই মতো নমুনা সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু সেই নমুনা ফরেন্সিকে পাঠানোর বদলে ডাস্টবিনে ফেলে দেন শ্রীহরি হালনোর নামে এক কর্মী। হাসপাতালের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধান অজয় তাওড়ের নির্দেশেই এই কাজ করেন শ্রীহরি। তদন্তে নেমে এই দুই ব্যক্তিকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।তাদের জেরা করেই উঠে এসেছে অভিযুক্ত নাবালকের মা শিবানী আগরওয়ালের নাম। জানা গিয়েছে, আসলে শিবানী আগরওয়ালের রক্ত পরীক্ষা করেই রিপোর্ট তৈরি হয়েছিল। কিন্তু দুই চিকিৎসকের গ্রেফতারের পর থেকে পলাতক অভিযুক্ত কিশোরের মা। অন্যদিকে সমাজকর্মী অঞ্জলি দামানিয়া অভিযোগ করেছিলেন, দুর্ঘটনার পর অভিযুক্ত কিশোরকে আড়াল করতে মাঝরাতে পুলিশ কমিশনারকে ফোন করেছিলেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার।কিন্তু বৃহস্পতিবার অজিত পাওয়ার বলেছেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে এমন দুর্ঘটনার বিষয়ে তিনি ফোন পেয়েছিলেন। সেদিন পুলিশ কমিশনারকে ফোন করে বলেছিলেন, যে কোনও রাজনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করবেন না।








