
বিরাট কোহলি নিজের অপরাধ শিকার করেছেন। পাইক্রফট শাস্তি হিসাবে বিরাটকে এক ডিমেরিট পয়েন্ট দিয়েছেন। ফলে কোনও ম্যাচে নির্বাসিত হতে হবে না প্রাক্তন ভারত অধিনায়ককে।
তবে তাঁর ম্যাচ ফির ২০ শতাংশ জরিমানা হিসাবে কাটা হবে। এদিকে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়ে মেলবোর্নে বক্সিং ডে টেস্টে ন্যাথান ম্যাকসুয়েইনিকে অভিষেক করানো হয়। কিন্তু সিরিজের প্রথম তিন ম্যাচেই তিনি ছিলেন ব্যর্থ। এরপরেই স্যাম কনস্টাসকে সিরিজের চতুর্থ ম্যাচের জন্য উড়িয়ে আনা হয় মেলবোর্নে। আর তাতেই বাজিমাত। অস্ট্রেলিয়া এই ১৯ বছরের তরুণের মাঝেই পেল নতুন আশা।ওয়ানডে মেজাজে খেলে ৬৫ বলে করেছেন ৬০ রান। তবে রানটাই মুখ্য নয় কনস্টাসের জন্য। যেভাবে খেলেছেন সেটাই আলোচনার খোরাক। জাসপ্রিত বুমরাহর মতো সময়ের সেরা ফাস্ট বোলারকে রিভার্স সুইপে ছক্কা হজম করিয়েছেন। আবার স্কুপ করে বাউন্ডারিও হাঁকিয়েছেন। আর তার ছক্কাটাও আলাদা। কনস্টাসের কল্যাণে ৩ বছর ও ৪ হাজার ৪৮৩ বল পর টেস্ট ক্রিকেটে ছক্কা হজম করলেন বুমরাহ।এরপরেই এলো আরেক আলোচিত মুহূর্ত। বিরাট কোহলির ধাক্কার জবাবে কথা বলেছেন চোখে চোখ রেখে।৩৬ বছর বয়েসী কোহলি নিঃসন্দেহে কিংবদন্তি পর্যায়ে।কিন্তু, কনস্টাস পিচে এতই দুর্দান্ত তার মনোযোগ সরাতে ধাক্কা দিয়েই মনস্তাত্ত্বিক খেলা খেলতে হয়েছে কোহলিকে। সেজন্য অবশ্য বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছেন কোহলি। ঘটনাটি ঘটেছে ১০ ওভারের পর। মোহাম্মদ সিরাজ সেই ওভার শেষ করার পর দিক পরিবর্তন করার জন্য হেঁটে আসছিলেন কোহলি। উল্টো দিক থেকে আসছিলেন কনস্টাসও। দু’জনের কাঁধে ধাক্কাধাক্কি হয়। কনস্টাস কিছু একটা বলে বসেন।কোহলিও এগিয়ে যান। দু’জনের বিবাদ থামান আম্পায়ার এবং আরেক অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার উসমান খোয়াজা। রিপ্লেতে দেখা যায়, কনস্টাস মাথা নিচু করে ব্যাট হাতে যাচ্ছিলেন।
কোহলিই পাশ থেকে অনেকটা দিক পরিবর্তন করে কনস্টাসের কাছে গিয়ে তাঁকে গিয়ে ধাক্কা মারেন। ধারাভাষ্যকার মাইকেল ভন বলছিলেন, কনস্টাসকে উত্তেজিত করার জন্যই এ কাজ করেছেন কোহলি।





