পুতিনের হানিট্র্যাপ, ইউরোপজুড়ে হইচই

0
74
ছবি সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল

হানিট্র্যাপ বা ভালোবাসার ফাঁদ। সহজ কথায়, যৌনতা ও শারীরিক সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে কাজ সমাধা করে নেওয়ার নামই হানিট্র্যাপ। গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি,রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়ী বা গোয়েন্দাদের কাছ থেকে তথ্য হাতিয়ে নিতে এই হানিট্র্যাপ ব্যবহার করা হয়।এবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে এই কৌশল ব্যবহারের বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে। জানা যাচ্ছে ,রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন হানিট্র্যাপের ফাঁদ ফেলেছিলেন জার্মানিতে। এর মাধ্যমে সুন্দরী মহিলাদের দিয়ে পুরুষদের প্রলুব্ধ করা হতো।

এরপর তাদেরকে অপহরণ করা হতো। এমনকি হত্যা পর্যন্ত করা হতো। গত তিন বছর ধরে জার্মানিতে,আমেরিকার একটি বিমানঘাটিতে গুপ্তচরবৃত্তি করছিল রুশ বাহিনীর এজেন্টরা। সেখান থেকে পাওয়া তথ্য তারা পাচার করেছে রাশিয়ায়। এখন ধারণা করা হচ্ছে, ব্রিটেনে রাশিয়ার আরও গুপ্তচর লুকিয়ে আছে।সন্ত্রাসবিরোধী একজন প্রধান কর্তা সতর্ক করেছেন এ বিষয়ে।কারণ, ক্রেমলিনের জন্য গুপ্তচরবৃত্তি করছিলেন ছয় বুলগেরিয়ান।

তাদেরকে সরাসরি নির্দেশ দেওয়া হতো মস্কো থেকে। গুপ্তচরের এই চক্রটি গ্রেট ইয়ারমাউথ গেস্টহাউসে থাকতো। সেখান থেকে স্পর্শকাতর নজরদারির প্রযুক্তি ব্যবহার করতেন তারা। স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের কমান্ডার ডমিনিক মারফি বলেছেন, কোনও রাষ্ট্রের মদতে হুমকি মোকাবিলার জন্য ব্রিটেনের ৫ম সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশিং ইউনিট কাজ করছে। রাশিয়ান গোয়েন্দারা যে প্রক্সি এজেন্ট ব্যবজহার করে তাদের কাজকর্ম পরিচালনা করছে এটা হলো তার মাত্র একটি উদাহরণ। এসব এজেন্টরা ছদ্মবেশে তাদের কর্মকাণ্ড চালাচিছল এবং করছিল স্যাবোটাজ।