
জায়ান্ট দুই ফুটবল দলের ম্যাচ বলে কথা। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস, বাঁকে বাঁকে চমক, প্যানডোরার বক্সের উপখ্যান, রেকর্ড; সে সঙ্গে খেরোখাতা উল্টানোর খচখচানি শব্দ ,সেসববের কিছু না হলেও ফক্সবরোর জিলেট স্টেডিয়ামে ব্রাজিল ও ফ্রান্সের ম্যাচটি কিন্তু কম রোমাঞ্চ ছড়ায়নি।
হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে মোটে তিন গোল হলেও হলুদ কার্ড, লাল কার্ড এবং ফাউলের ঘটনা বেশ নজরে আসে।ম্যাচে মোট ফাউল হয়েছে ২৪ বার। দুই দল ১২টি করে ফাউল করেছে। হলুদ কার্ডের ৪টি ব্রাজিলের, ৩টি ফ্রান্সের। লাল কার্ড দেখেছেন ফরাসি সেন্টারব্যাক দায়োত উমামেকানো। ১০ জলের দলের পরিণত হলেও জয় বঞ্চিত থেকেছে সেলসাওরা। নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ১৯৫৮ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের পর জয়বঞ্চিত থাকার ধারাও ভাঙতে পারল না ব্রাজিল।ম্যাচের শেষে ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, ম্যাচ হারলেও বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন তিনি। আনচেলত্তি বলেন, ম্যাচ হারলে কেউই খুশি হয় না। তাই বলতে পারেন, এই ফলে আমি অর্ধেক সন্তুষ্ট। সামনে এখনো দীর্ঘ পথ, তবে ইতিবাচক থাকার মতো কারণও আছে।এদিকে জিলেট স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে বেশ ভুগেছে ব্রাজিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে বেশ লড়াই করেছে তারা।
বিশেষ করে অতিরিক্ত সময়ে ব্রেহমের ক্রস পা ছোঁয়ালেই সম্মান নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারতো হলুদ জার্সিধারীরা। তারপরও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও রাফিনিয়াদের পারফরম্যান্স ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন আনচেলত্তি।








