
রীতি মেনেই বিশ্বভারতীতে পালিত হয়েছে পঁচিশে বৈশাখ। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একশো পঁয়ষট্টি তম জন্মদিনের ভোরে প্রথা মেনে বৈতালিকের মাধ্যমে শুরু হয় গুরুসাধনা।
উপাসনা গৃহে প্রার্থনা ও বৈদিক মন্ত্র পাঠের পর আম্রকুণজের ঐতিহ্যবাহী ঘণ্টাতলায় রবীন্দ্র জয়ন্তী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন আবাসিক পড়ুয়া, অধ্যাপক-অধ্যাপিকারা। ছিলেন বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য সহ অন্যান্য বিশিস্টরা। সাদা পাঞ্জাবী কিংবা লালপাড়-সাদা শাড়ির প্রভাতফেরি, গান, গল্প, কবিতা-নাটকে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয়েছে রাজ্যের অন্যান্য জেলাতেও। বিভিন্ন জেলাতেও রাজ্যনৈতিক দল, ক্লাব, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও সমাজসেবী সংস্থা আয়োজন করেছে নানা অনুষ্ঠান। সকালেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে রবীন্দ্রজয়ন্তীর শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হে নূতন, দেখা দিক আরবার। গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একশো পঁয়ষট্টি তম জন্মজয়ন্তীতে, কবিগৃহ কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতেও ছিল মানুষের ভিড়। সকালেই রাজ্য সরকারের তরফে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মন্ত্রী শশী পাঁজা।
তিনি বলেছেন বর্তমান পরিস্থিতিতে কবিগুরুর দেখানো পথেই সবাইকে নিয়ে চলার চেষ্টা করছে রাজ্য।পরে জোড়াসাঁকোয় ঠাকুরবাড়িতে গিয়েছিলেন সুকান্ত মজুমদার। জোড়াসাঁকোয় শ্রদ্ধা জানাতে গিয়েছিলেন সিপিএমের নেতৃত্বও।
