
ঘূর্ণিঝড় দানার ওড়িশায় আছড়ে পড়তেই প্রভাব দেখা গিয়েছে এপারের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে। কোথাও কোথাও নদীবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কোথাওবা উপরে পড়েছে গাছ, কোথাও ভেঙেছে কাঁচা বাড়ি।
পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জেলায় এই ছবি এখন জীবন্ত। ঘূর্ণিঝড় দানা’র প্রভাবে বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় পূর্ব মেদিনীপুরের দিঘা বিস্তীর্ণ এলাকা জল জমতে দেখা গিয়েছে। যার ফলে রাস্তায় চলছে কম যান। তমলুক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে জল থৈথৈ পরিস্থিতি। এর জেরে ভোগান্তিতে পড়েছে রোগী এবং রোগীদের পরিবার। হুগলি, বারুইপুর, নদিয়া, পূর্ব মেদিনীপুর সহ একাধিক জেলায় গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি উপরে ব্যাহত হয়েছে বিদ্যুৎ পরিষেবা। দানা’র জেরে হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায় জল জমেছে। জানা গিয়েছে বালির অধিকাংশ এলাকা, পঞ্চাননতলা রোড থেকে ক্ষিরোদতলা রোড পর্যন্ত রাস্তার অবস্থা খারাপ হয়ে গিয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে ভেঙেছে বাঁধ। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে প্রচুর মাটির বাড়ি। শুধু তাই নয়, চাষের জমিতেও ঢুকেছে নোনা জল। অন্যদিকে হাসনাবাদের পরিস্থিতিও আশংকাজনক। উপকূলের বিভিন্ন যে কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়েছে তা সাফাইয়ের কাজ শুরু করেছে প্রশাসন।পর ফ্রেজারগঞ্জ, সুন্দরবন ও বকখালিতে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ব্যাপক ঝড়বৃষ্টি হয়েছে। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কুলতলী ব্লকের একাংশ বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গাছ ভেঙে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে সাগরদ্বীপ। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। দানা’র ঝড়ে বিপর্যস্ত জনজীবন। বাঁধ ভাঙার আশঙ্কায় এলাকার মানুষ। বাঁশ দিয়ে চলছে বাঁধ মেরামতির কাজ।
বাঁধ ভেঙে গেলে এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা। দানা’র ল্যান্ডফলের পরেও দিঘার সমুদ্রে জলচ্ছাস অব্যাহত। ওল্ড দিঘা ও নিউ দিঘায় সোমবারও সমুদ্রে কাউকে নামতে দেওয়া হচ্ছে না প্রশাসনের তরফে।








