
অষ্টমীর পর নবমীতেও তাল কেটেছে অসুর বৃষ্টি। সকালে রোদের তেজ থাকলেও বেলা বাড়তেই কলকাতার উত্তর থেকে দক্ষিণের বিভিন্ন অংশে মাঝারি থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। হাওয়া অফিসের বুলেটিন অনুযায়ী, বিকেল পড়তেই কলকাতা সহ উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর ও হাওড়ার বিস্তীর্ণ অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে।
বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হয়েছে কোথাও কোথাও। অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় দুপুর থেকেই অঝোরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের উপর নতুন করে একটি নিম্নচাপ অঞ্চল তৈরি হয়েছে। এটি আরও উত্তর-পূর্বে সরবে এবং নবমীর বিকেলের মধ্যেই নিম্নচাপে পরিণত হবে। ৩ অক্টোবরের মধ্যে নতুন নিম্নচাপটি আরও গভীর নিম্নচাপে ঘনীভূত হবে এবং উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশার উপকূলের মধ্যে দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। এর প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়বৃষ্টি চলবে। ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে দশমীর দিন, বৃহস্পতিবারও। ৭ থেকে ১১ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টির পাশাপাশি হতে পারে বজ্রপাত। কোথাও কোথাও হাওয়ার বেগ থাকতে পারে ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার।
এ ছাড়া, শহরে শুক্রবার এবং শনিবার বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এছাড়া কোচবিহার ও ধুপগুড়িতে প্রচণ্ড বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ে পুজো প্যান্ডেলের গেট। গেট ভেঙে যাওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় চলাচল। রাস্তার মাঝে প্যান্ডেল ভেঙে পড়ায় গাড়ি চলাচলে চরম অসুবিধা তৈরি হয়েছে।







