
দত্তাবাদে স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনের মামলায় অভিযুক্ত প্রশান্ত বর্মণকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিতেই তাঁকে সরিয়ে রাজগঞ্জে বিডিও পদে আনা হয়েছে সৌরভকান্তি মণ্ডলকে। এতদিন তিনি ওই ব্লকেরই জয়েন্ট বিডিওর দায়িত্ব সামলেছেন।
২৯ অক্টোবর নিউটাউনের যাত্রাগাছি থেকে স্বর্ণব্যবসায়ী স্বপন কামিলার দেহ মেলে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ৫ জনকে গ্রেফতার করে। তদন্তে নাম জড়ায় রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মণের। বিধাননগর পুলিশ দাবি করে খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত প্রশান্তই। কিন্তু তাঁর নাম জড়ানোর পরেই বারাসত কোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়ে যান প্রশান্ত। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যায় বিধাননগর পুলিশ। শুনানিতে আগাম জামিন মঞ্জুর করা নিয়ে প্রশ্ন তোলে হাইকোর্ট।
বারাসত কোর্টের নির্দেশ খারিজ করেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। তাঁকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। নির্ধারিত সময় পরে প্রশান্ত বর্মণের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন প্রশান্ত বর্মন।
