
তেইশের পুজোর বক্স অফিসে সাড়া ফেলে দিয়েছিল রক্তবীজ। এবারও পঁচিশের পুজোয় আবারো আসছেন নন্দিতা রায় এবং শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। কারণ উৎসবের মরশুমেই মুক্তি পাবে ছবিটির সিক্যুয়েল। বছর দুয়েক আগে মুক্তিপ্রাপ্ত অ্যাকশন প্যাকড থ্রিলার রক্তবীজ একের পর এক রেকর্ড গড়েছিল।
পশ্চিমবঙ্গের গণ্ডি পেরিয়ে জাতীয় স্তরেও বহুল প্রশংসিত হয়েছে পুলু ওরফে দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকায় ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিনয়। এবার সিক্যুয়েলে কোন চমক দেবেন টলিপাড়ার পরিচালকদ্বয়, সেই কৌতূহল ছিলই। প্রথম ছবিটিতে খাগড়াগড় বিস্ফোরণের ঘটনার প্রেক্ষাপটকে ব্যবহার করা হয়েছিল। এবার নন্দিতা-শিবপ্রসাদের ফ্রেমে ফুটে উঠবে রাষ্ট্রপতি পদে থাকাকালীন প্রণব মুখোপাধ্যায়ের বাংলাদেশ সফরের কাহিনি।ঘটনার প্রেক্ষাপট ২০১৩ সাল। নড়াইলের ভদ্রবিলা গ্রামে শ্বশুরবাড়ির পৈতৃক ভিটে দেখতে গিয়েছিলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়।ভারতের প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি বলে কথা, তৎকালীন হাসিনা সরকারের তরফেও তাঁকে আপ্যায়ণের কোনও ত্রুটি রাখা হয়নি। বিশেষ করে সাজ সাজ রব পড়ে গিয়েছিল পদ্মাপাড়ের নড়াইল গ্রামে। কারণ প্রণবপত্নী শুভ্রা মুখোপাধ্যায় সেই জেলার ভূমিকন্যা। তাঁর শৈশবের অনেকটা সময়ে ভদ্রবিলা গ্রামে কাটিয়েছেন। উপরন্তু সেখানকার গন্যমাণ্য ব্যক্তিত্ব অমরেন্দ্র ঘোষের কন্যা তিনি। আর সেই পরিবারের রাষ্ট্রপতি জামাই যখন গ্রাম ঘুরতে আসে স্বাভাবিকভাবেই অতিথি আপ্যায়ণের কোনওরকম খামতি রাখেনি ভদ্রবিলা। ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতির আগমন উপলক্ষে শুধু শ্বশুরবাড়ি নয়, পুরো নড়াইল শহরজুড়ে নেওয়া হয়েছিল ব্যাপক প্রস্তুতি। চাঁচড়া থেকে রূপগঞ্জ, ভদ্রবিলা-সহ প্রায় ১৬ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার করা হয়েছিল। বৃদ্ধ বয়সে প্রথমবার বাংলাদেশের শ্বশুরবাড়িতে প্রণব, সেই জন্যই বাড়ির আঙিনায় বড় প্যান্ডেল খাটানো হয়েছিল। ভোজের মেন্যুতে ছিল ইলিশের রকমারি পদ-সহ নানা ধরনের পিঠে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থাও ছিল ততধিক জোরদার। কীভাবে প্রণব মুখোপাধ্যায়ের জন্য নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় সুরক্ষিত রাখা হয়েছিল? সেই কাহিনিই পুলিশ অফিসার সংযুক্তা এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসার পঙ্কজ সিনহার মাধ্যমে পর্দায় ফুটিয়ে তুলবেন নন্দিতা রায় এবং শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।








