
রাষ্ট্রপতি ডক্টর দ্রৌপদী মুর্মুর উপস্থিতিতে মহাসমারোহে পুরীতে উদযাপন হয়েছে রথযাত্রা উৎসব। ৫৩ বছর পর পুরীতে রথযাত্রা অনুষ্ঠান পালিত হচ্ছে দু’দিন ধরে।
রবিবার নির্ধারিত তিথি অনুযায়ী সকাল থেকে শুরু হয় পাহন্দি উৎসব।ভোর থেকেই জগন্নাথধামে উপচে পড়েছে মানুষের ঢল। লক্ষাধিক ভক্তের সঙ্গে রথযাত্রা দেখতে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতি ডক্টর দ্রৌপদী মুর্মু। সেই উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তা মোতায়েন ছিল মন্দির চত্বরে। শ্রী মন্দিরে রীতি পালনের মাধ্যমে উৎসবের সূচনা করেন বর্ষীয়ান সেবায়েতরা। এরপর মন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে এক এক করে বের করা হয় ভগবান জগন্নাথ, বলরাম এবং দেবী সুভদ্রাকে। এরপর বিগ্রহগুলিকে নিয়ে যাওয়া হয় সিংহ দুয়ারের সামনে দাঁড়ানো বিশালাকার সুসজ্জিত রথের সামনে। তারপর প্রথা অনুযায়ী সোনার ঝাঁটা দিয়ে ঝাঁট দিয়ে রথযাত্রা উৎসবের সূচনা করেন পুরীর রাজা।এরপরেই পুরীর মন্দির থেকে রথযাত্রা গুণ্ডিচা মন্দিরে পৌঁছনোর কথা। কিন্তু এবারের রথযাত্রা বাকি বছরের থেকে অনেকটা আলাদা। পুরীর রথের চাকা কিছুটা এগিয়েই থেমে গিয়েছে।কারণ গ্রহ-নক্ষত্রের হিসাব অনুযায়ী এবার নবযৌবন দর্শন এবং নেত্র উৎসব হয়েছে রবিবারই। এই আচারগুলি সাধারণত রথযাত্রার আগে অনুষ্ঠিত হয়। তাই একইদিনে এই রীতিগুলি হওয়ায় সোমবার গুণ্ডিচা মন্দিরে পৌঁছবে ভগবান জগন্নাথ, বলরাম এবং দেবী সুভদ্রার রথ। এবার টানা সাত দিন গুণ্ডিচা মন্দিরেই বোন সুভদ্রা ও ভাই বলভদ্রকে নিয়ে থাকবেন প্রভু জগন্নাথ। তারপর আবার তাঁরা ফিরে আসবেন পুরীর শ্রীমন্দিরে।অন্যদিকে, রথযাত্রা উপলক্ষে সকল দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ওডিশার নতুন মুখ্যমন্ত্রী মোহন মাঝিও।









