
ঠিক এক বছর পর, ১১ জুন ২০২৬,পর্দা উঠবে ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের। আর এই বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের অন্যতম ব্যতিক্রমী এক আয়োজন। দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ খ্যাত ফুটবল বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দল।এছাড়া এই প্রথম তিনটি দেশ,আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করছে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদার আসর।
ঠিক এক বছর থাকতেই বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে কাউন্টডাউন। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির হাতে ট্রফি উঠেছিল যে দিন, তার ঠিক তিন বছর পাঁচ মাস ২১ দিন পরই আবারও বিশ্ব মঞ্চে মুখোমুখি হবে সেরা দলগুলো। উল্লেখ্য আমেরিকায় ফুটবল পরিচিত সকার নামে। একসময় আমেরিকার ক্রীড়াঙ্গনে উপেক্ষিত ছিল ফুটবল।তবে মেজর লিগ সকার,এমএলএস,মার্কিনদের মাঝে এনেছে পরিবর্তন। এর পাশাপাশি আমেরিকাতে ফুটবলকে জনপ্রিয় করতে বড় ভূমিকা রেখেছেন লিওনেল মেসি।১৯৯৪ সালে আমেরিকা যখন প্রথমবার বিশ্বকাপ আয়োজন করে, তখনও ফুটবল সেখানে জনপ্রিয়তার তলানিতে।কিন্তু তিন দশকের প্রচেষ্টায় এখন এমএলএস-এর দলগুলো গ্যালারি ভর্তি করছে,টিভি দর্শক বাড়ছে, ফুটবল ঘরে ঘরে প্রবেশ করছে।এদিকে,২০২৩ সালে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দিয়ে মেসি শুধু এক দলে নয়,পুরো লিগ ও দেশের ফুটবলবোধেই পরিবর্তন এনে দিয়েছেন। এমএলএস-এর কম্পিটিশন ডিরেক্টর আলফনসো মোনডেলো বলেছেন, দেশে ফুটবলের বিকাশে এমএলএস অবদান রেখেছে ঠিকই, তবে মেসির আগমন সেটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
মেসি এখন আমেরিকার ফুটবলের এক প্রতীক হয়ে উঠেছেন।অন্যদিকে,২০২৬ বিশ্বকাপ হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর,সংখ্যায়, আয়োজনে এবং আয়োজক দেশেও। মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৬টি শহরে, যা আগের বিশ্বকাপগুলোর তুলনায় রেকর্ড সংখ্যক।১১ জুন মেক্সিকো সিটিতে উদ্বোধন হয়ে ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক সিটিতে পর্দা নামবে এবারের আসরের।








