
এক বছর আগেও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে মনে হচ্ছিল তার ক্যারিয়ারের শীর্ষ ফর্মে আছেন। ২০২৩-২৪ মৌসুমে রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ ও লা লিগা জিতেছেন, ৩৯ ম্যাচে ৩৫টি গোল-অবদান রেখেছিলেন দলের সাফল্যে।
সমর্থকদের কাছে ছিলেন প্রিয় মুখ,এমনকি কিলিয়ান এমবাপ্পে আসার পরও অনেকেই চাইছিলেন, বাঁ-দিকের উইং যেন তারই দখলে থাকে।রিয়াল মাদ্রিদও উচ্ছ্বসিত ছিল তাকে নিয়ে।সৌদি আরব থেকে প্রস্তাব এলেও বিক্রির কোনো প্রশ্নই ওঠেনি। নতুন সিজন শুরু করেছিলেন ব্যালন ডি’অরের অন্যতম ফেভারিট হিসেবে।কিন্তু ২৫ বছর বয়সী এই ব্রাজিলিয়ানের জন্য ২০২৪-২৫ সিজনটা ছিল ব্যক্তিগতভাবে হতাশার।একাধিক সূত্রের মতে, ব্যালন ডি’অর না জেতা তার ওপর মানসিক চাপ তৈরি করেছে।ডিসেম্বরে ফিফা দ্য বেস্ট পুরস্কার পেলেও তিনি হতাশা কাটিয়ে উঠতে পারেননি।এ ছাড়া নতুন চুক্তি নিয়ে জটিলতা মাঠের পারফরম্যান্সেও প্রভাব ফেলেছে। এমনকি কয়েকবার বার্নাব্যুতে সমর্থকদের কাছ থেকে শুনতে হয়েছে দুয়োধ্বনি।চুক্তি রিনিউ নিয়ে আলোচনা শুরু হয় চলতি বছরের জানুয়ারিতে।
২০২২ সালে রিনিউ চুক্তি অনুযায়ী ভিনিসিয়ুস বছরে প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ ইউরো পাচ্ছেন। মাদ্রিদ বাড়িয়ে ২ কোটি ইউরো প্রস্তাব করলেও খেলোয়াড় পক্ষ ৩ কোটি ইউরোর কাছাকাছি একটি ঐতিহাসিক চুক্তি চান, যেখানে বেসিক বেতন, পারফরম্যান্স বোনাস ও একটি রিনিউ বোনাস অন্তর্ভুক্ত থাকবে,যা রিয়ালের জন্য নতুন ধারা।








