
এই প্রথম এআই টেকনোলজি ব্যবহার করে ভ্যাটিকান সিটি’র সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকা’র বিভিন্ন এমন কাঠামোগত দূর্বলতা শনাক্ত করা গেছে, যেগুলো খালি চোখে দেখা যায় না।এআই টেকনোলজির সাহায্যে এ বিখ্যাত ক্যাথলিক গির্জার ডিজিটাল টুইন তৈরি হয়েছে।
এর থ্রি ডি কম্পিউটার মডেল খুবই নিখুঁত, যা বাস্তব জগতের অবকাঠামো অনুকরণ করেই তৈরি হয়েছে।প্রকল্পটির নাম,লা বাসিলিকা দি স্যান পিয়েত্রো, যা বানাতে মাইক্রোসফট ও ভ্যাটিকান কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে কাজ করেছে ডিজিটাল সংরক্ষণ বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত ফরাসি স্টার্টআপ কোম্পানি,আইকোনেম।এ ডিজিটাল টুইন বানাতে সময় লেগেছে তিন সপ্তাহ,যেখানে ড্রোন, ক্যামেরা ও লেজার প্রযুক্তির সাহায্যে চার লাখেরও বেশি ডিটেইলড ছবি শ্যুট করে ওই বিখ্যাত প্রাসাদের বাইরের ও ভেতরের অংশের হুবহু ডিজিটাল রেপ্লিকা তৈরি হয়েছে।এর মধ্যে ছিল প্রাসাদের বিভিন্ন মোজাইক, দেয়াল চিত্র ও ভাস্কর্যও।ওই ডেটা এআই দিয়ে বিশ্লেষণ করে প্রাসাদটির বিভিন্ন ফাটল শনাক্ত করা গেছে, যা খালি চোখে দেখা যায় না।ফলে, প্রাসাদটি নতুন করে সংরক্ষণে যে কাজ প্রয়োজন, তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে।পাশাপাশি, এর আগে লুকানো অবস্থায় ছিল বা হারিয়ে গেছে, বিভিন্ন এমন মোজাইক টাইলস ও একটি অলংকৃত সিলিংও উদ্ঘাটন করা গেছে এআই টেকনোলজি দিয়ে।মিডলসেক্স ইউনিভার্সিটি’র ক্রিয়েটিভ টেকোনলজিস বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. নোহা সালিব বলেছেন, যেসব এআই অ্যালগরিদম ডিজিটাল টুইন প্রযুক্তি থেকে অবিচ্ছিন্ন ডেটা সংগ্রহ করে থাকে,সেগুলো দিয়ে এ ধরনের কাঠামো ও উপাদানের ক্ষত শনাক্ত করা সম্ভব, যা খালি চোখে দেখা যায় না।বিভিন্ন ঐতিহাসিক নিদর্শনে এরইমধ্যে ডিজিটাল টুইন প্রযুক্তির ব্যবহার দেখা গেছে।
এর মধ্যে রয়েছে প্যারিসের নটর-ডেম ক্যাথিড্রাল-এর থ্রি ডি ডিজিটাল মডেল তৈরির মতো প্রকল্পও। এমনকি ২০১৯ সালে অগ্নিকাণ্ডের পর গীর্জাটি পুননির্মাণের ক্ষেত্রেও সহায়তা পাওয়া গেছে ওই মডেল থেকে।
ছবি সৌজন্যে : রয়টার্স









