
মহাকাশে বন্দিদশা কাটিয়ে এ সপ্তাহেই পৃথিবীতে পা রাখার কথা ছিল দুই নভোচর সুনীতা উইলিয়ামস, বুচ উইলমোর। এমনই সুখবর শুনিয়েছিল নাসা। অপেক্ষা ছিল সেই সুদিনের, যেদিন দুই নভোচর প্রায় ৯ মাস পর শ্বাস নেবেন পৃথিবীর হাওয়ায়।কিন্তু ফের আশাভঙ্গ। ইলন মাস্কের মহাকাশযানের যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে ফের পিছিয়ে গিয়েছে দু’জনের পৃথিবীতে ফেরা।গোলযোগ সারিয়ে কবে মহাকাশযানটি সুনীতাদের ফেরাতে মহাকাশে পাড়ি দেবে তা এখনও জানা যায়নি।
এর আগে গত বছর থেকে মহাশূন্যে বন্দি থাকা দুই নভোচরকে ফেরাতে বন্ধু মাস্কের সাহায্য চেয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁকে এবিষয়ে আশ্বস্ত করেন টেসলা কর্তা।সেইমতো সুনীতাদের ফেরাতে প্রস্তুতি শুরু করে তাঁর সংস্থা স্পেস এক্স।প্রথমে জানা গিয়েছিল ১৯ মার্চ নয়, নাসা ও স্পেস এক্স সহযোগিতায় সপ্তাহান্তেই দুজনকে নিয়ে পৃথিবীতে পৌঁছতে চলেছে ড্রাগন স্পেসক্র্যাফট। ১২ মার্চ অর্থাৎ বুধবার ভোর ৫টা ১৮ নাগাদ আমেরিকার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্পেস এক্সের ফ্যালকন নাইন রকেট উৎক্ষেপণ করার কথা ছিল।এই মহাকাশযানে থাকার কথা ছিল আরও চার নভোচর, নাসার অ্যান ম্যাক্লেন এবং নিকোল আয়ার্স, জাপানের তাকুয়া ওনিশি এবং রাশিয়ার কিরিল পেসকভ।পরিকল্পনা করা হয়েছিল যে, ওই চারজনকে গবেষণার কাজ বুঝিয়ে দিয়ে একই মহাকাশযানে পৃথিবীতে ফিরবেন সুনীতারা।এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল,ক্রু-১০ মিশন।কিন্তু এই অভিযান শুরু হওয়ার আগেই বাতিল হয়ে গেল। বৃহস্পতিবার ভোর প্রায় সাড়ে ৪টে নাগাদ স্পেস এক্স ও নাসা বিবৃতি দিয়ে জানায়,কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ওড়ার কথা ছিল ফ্যালকন রকেট ৯-এর।
কিন্তু রকেট লঞ্চপ্যাডের এক ক্রুটির কারণে এই মিশন বাতিল করা হয়েছে।মহাকাশযানটি উড়ান ভরার ঠিক ঘণ্টা চারেক আগেই হাইড্রলিক সিস্টেমে একটি সমস্যা নজরে আসে।বিপদ এড়াতে তড়িঘড়ি মিশন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন থেকে সুনীতা ও বুচকে থেকে ফেরাতে কবে মহাকাশযানটি উড়বে তা জানানো হয়নি বিবৃতিতে।








