
এক বাবা যখন শঙ্কায় রয়েছেন উচ্চ আদালতে ফাঁসির সাজা রদ হয়ে যায় কিনা, তখন অন্য বাবার আক্ষেপ ৪ মাস পরেও তার মেয়ে বিচার পেল না।
জয়নগরে নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনে ৬২ দিনের মাথায় শুক্রবার বারুইপুরের পকসো আদালত দোষী মুস্তাকিন সর্দারকে ফাঁসির সাজা দিয়েছে। সেদিনই নিজের মেয়ে বিচারের দাবিতে রাস্তায় নেমেছেন আর জি করের নির্যাতিতার বাবা-মা। জয়নগরের প্রসঙ্গ টেনে নির্যাতিতার বাবা বলেছেন এই রায়ের আরও সাহস জোগালো। এবার হয়ত তাদের মেয়ে বিচার পাবে। দোষীদের কঠোর সাজা হবে। সিবিআইকে আরও সময় দেওয়ার পক্ষপাতী নির্যাতিতার বাবা সমালোচনা করে বলেছেন রাজ্য সরকারের মনোভাব শুরু থেকে ঢিলেঢালা ছিল, পুলিশ তথ্যপ্রমাণ জোগাড়ের থেকে তথ্যপ্রমাণ লোপাটে বেশি ব্যস্ত ছিল। এর প্রমাণ এখন সবার চোখের সামনে জ্বলজ্বল করছে। এতকিছুর পর সিবিআই তদন্তভার নিয়েছে তাই সময় দিতেই হবে।
তবে সিবিআইয়ের ওপর চাপ বজায় রাখতে হবে। এদিকে কামদুনির মত মামলায় দ্রুত সাজা ঘোষণা হয়েছিল, তারপর উচ্চ আদালতে গিযে দোষীরা জামিন পেয়েছে। জয়নগরের নির্যাতিতার বাবা বলছেন উচ্চ আদালতে দোষী গেলেও সাজা যাতে একই থাকে, তাহলে বুঝবেন বিচার সঠিক হয়েছে।







