
৪ জুলাই ব্রিটেনে সাধারণ নির্বাচন হবে। এমনই ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনকের দফতর। ২০২২ সালের অক্টোবরে ঋষি সুনককে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেন ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল কনজ়ারভেটিভের এমপিরা।
তাই প্রধানমন্ত্রী হিসাবে এই প্রথম সাধারণ নির্বাচনের মুখে পড়তে হচ্ছে ঋষি সুনককে।ঋষি সুনকের দফতরের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, রাষ্ট্রের প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে।রাজা এই আর্জি মেনে নিয়েছেন। ৪ জুলাই ব্রিটেনে সাধারণ নির্বাচন। এখন ভবিষ্যৎ নির্ধারণের সময় এসেছে ব্রিটেনে।তবে লড়াইটা মোটেও সহজ হবে না ঋষি সুনকের কাছে।২০১৬ সালে ব্রেক্সিটের পর এই নিয়ে তৃতীয়বার সাধারণ নির্বাচন হচ্ছে ব্রিটেনে। যদিও ব্রেক্সিটের ক্ষত এখনও ভোলেননি ব্রিটেনবাসী। এই নির্বাচনেও তার পড়তে পারে বলে আশঙ্কা। অভিযোগ, ঋষি সুনকের আমলে জিনিসপত্রের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে লাগামছাড়া ভাবে।পাশাপাশি, কোভিড পরবর্তী সময়ে ব্রিটেনের পরিস্থিতিও হতাশ করেছে দেশবাসীকে।মাত্র ৪৯ দিন ক্ষমতায় ছিলেন লিজ ট্রাস। কিন্তু সে সময় তাঁর রাজস্ব সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত বিপাকে ফেলে ব্রিটেনের মধ্যবিত্ত শ্রেণিকে। পড়ে যায় পাউন্ডের দাম। তারপর সেই পরিস্থিতি মেরামতের যথেষ্ট চেষ্টা করেছেন ঋষি সুনক। তবে সফল কতটা হয়েছেন, তা বলবে সময়।








