গ্রাম থেকে শহর
News & Much More

31 C
Kolkata
31 C
Kolkata
More
    Home Lifestyle একটানা বসে কাজে রোগের ঝুঁকি

    একটানা বসে কাজে রোগের ঝুঁকি

    0
    133
    ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

    সাধারণতঃ লিভারের অসুখ ধরা পড়লেই অনেকের আতঙ্ক বেড়ে যায়। জন্ডিস হলেও একই অবস্থা। এই বুঝি ভালো-মন্দ খাওয়া বন্ধ হয়ে গেল। ইদানীং ফ্যাটি লিভারের সমস্যাও খুব বেশি দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে কমবয়সিরা বেশি ভুগছেন এই সমস্যায়।

    লিভারের সাধারণ কিছু অসুখ এক দিকে,আর ক্যান্সার অন্য দিকে।অনেকেই ভাবেন, এক বার বা দু’ বার জন্ডিস হলে অথবা ফ্যাটি লিভার ধরা পড়লে তেমন কিছু হয় না। ওষুধ খেলে সেরে যাবে,কিন্তু বিপদ দেখা দেয় পরবর্তী সময়ে।তাই লিভার সংক্রান্ত যেকোনো রোগকে হেলাফেলা করা উচিত নয়।বলা হয়,ফ্যাটি লিভারও অতিরিক্ত বেড়ে গেলে সিরোসিস বা লিভারে ক্ষতের কারণ হয়ে উঠতে পারে, যা থেকে ক্যান্সার অবধারিত।সব মিলিয়ে,প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসই ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে দাবি গবেষকদের।বলা হয়,অস্বাস্থ্যকর খাওয়াদাওয়া, দীর্ঘ সময় বসে থাকা,শরীরচর্চা না করার অভ্যাস লিভারের জটিল অসুখের কারণ হতে পারে।এদিকে দেশে প্রতি বছর লিভার ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। পাশাপাশি,ক্যান্সারে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে। যকৃতের ক্যান্সার মূলত দুই ধরনের,প্রাইমারি লিভার ক্যান্সার বা, হেপাটোসেলুলার,এইচসিসি ক্যান্সার এবং সেকেন্ডারি লিভার ক্যান্সার বা, মেটাস্ট্যাটিক লিভার ক্যান্সার।বলা হয়,প্রাইমারি লিভার ক্যান্সারের ক্ষেত্রে ৪০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দেখা দিতে পারে এটির উপসর্গ।কিন্তু সেকেন্ডারি লিভার ক্যান্সারের উপসর্গ প্রকট হওয়ার কোনো বয়স থাকে না। যখন অন্য কোনো অঙ্গে ক্যান্সার হয়, তখন সেই অনুযায়ী ছড়াতে পারে উপসর্গ।মোটামুটি দেখা গেছে তিনটি অভ্যাস ক্যান্সারের জন্য দায়ী।যেমন,জাঙ্ক ফুড, প্যাকেটবন্দি প্রক্রিয়াজাত খাবার ও অতিরিক্ত অ্যালকোহল লিভার ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।প্রক্রিয়াজাত খাবার দীর্ঘ দিন সংরক্ষণ করে রাখতে যেসব রাসায়নিক মেশানো হয়, সেগুলো শরীরের জন্য বিষ।পাশাপাশি, মদ্যপান সাত রকমের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়। যার মধ্যে পাকস্থলী, লিভার ও স্তনের ক্যান্সার অন্যতম। যে পানীয়তেই ইথানল থাকবে,তার দাম যতই বেশি হোক না কেন,মান যতই ভালো হোক না কেন, সেই পানীয় খেলে ক্যান্সারের ঝুঁকি থাকবেই।অন্যদিকে,বাসি বা দীর্ঘ দিন ফ্রিজে রাখা খাবার খেলেও কিন্তু তা লিভারের ক্ষতি করবে।যেমন আচার বা ওই ধরনের খাবার দীর্ঘ দিন ধরে রেখে দিয়ে খাওয়া হয়। একটা সময় পরে তাতে ছত্রাকের জন্ম হয়।এই ছত্রাকের মধ্যে থাকে আফলাটক্সিন, যা যকৃতের ক্যানসারের জন্য দায়ী।পাশাপাশি,টানা ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বসে বা শুয়ে থাকলে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে।সমীক্ষা বলছে, যারা কোনো রকম কায়িক পরিশ্রম করেন না, তাদের শরীরে ক্যান্সার হানা দেওয়ার সম্ভাবনা ৮২ শতাংশ।এর বাইরে,ওজন নিয়ন্ত্রণে না রাখলে তার থেকে নানা সমস্যা দেখা দেবে।রোগের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি প্রয়োজন।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে ক্যান্সারের মতো মারণরোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

    আর প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে গেলে নিয়মিত ব্যায়াম করতেই হবে। চিকিৎসকদের মতে, ক্যান্সার মাল্টি ফ্যাক্টেরিয়াল ডিজিজ।শরীরের কোনো কোষের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি এবং বিভাজন ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। শরীরে জমা কিছু টক্সিন এই বিভাজনে সাহায্য করে। কাজেই টক্সিন দূর করতে হলে নিয়ম মেনে শরীরচর্চা করতেই হবে।