বাবার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ঋতাভরী

0
105
ছবি সৌজন্যে : ইনস্টাগ্রাম

টালিগঞ্জের জনপ্রিয় মুখ ঋতাভরী চক্রবর্তী। ওগো বধূ সুন্দরী নাটকে অভিনয়ের পর অসম্ভব জনপ্রিয়তা পেয়েছেন অভিনেত্রী। করেছেন টলিউডের সিনেমাও।বর্তমানে বড় পর্দা নিয়েই বেশি ব্যস্ততা অভিনেত্রীর।ঋতাভরীর বাবাও ছিলেন একজন স্বনামধন্য পরিচালক,উৎপলেন্দু চক্রবর্তী। তবে বাবার সঙ্গে সম্পর্ক মোটেই ভালো ছিল না অভিনেত্রীর। এমনকী মৃত্যুর আগে পর্যন্ত আলাদাই থাকতেন ঋতাভরী। বোনকে নিয়ে মায়ের সঙ্গেই থাকতেন অভিনেত্রী।

রিপোর্ট ‍অনুসারে, সম্প্রতি এক পডকাস্টে বাবা ও মায়ের মধ্যে হওয়া ঝামেলা ও অতীতের তিক্ততা নিয়ে কথা বলেছেন ঋতাভরী। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, বাবা উৎপলেন্দু তার গায়েও হাত তুলতেন। ঋতাভরী বলেছেন, তাঁর বায়োলজিক্যাল বাবা, তিনি তখন এতটাই ছোট, বয়স ওই ৩-৪ হবে,মায়ের ভাষায় ওইটুকু বাচ্চার গায়ে জায়গা কোথায় মারবার? সেটা করা থেকেও যখন উনি বিরত থাকতে পারলেন না, তখন মাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়। মাকে বেরিয়ে আসতে হয়।অন্যদিকে,ঋতাভরী চক্রবর্তীর দাদু-দিদা ভীষণভবে সাপোর্ট করেছিলেন।ঋতাভরী আরো বলেছেন, তাঁর মা বারবার বেরিয়ে আসতেন। তাঁর বাবা আবার এসে ক্ষমা চাইতেন।মা ভালো তো বাসতেন, মনে করতেন হয়তো সব ঠিক হয়ে যাবে। এবার শুধরে যাবে।কিন্তু সেটা হতো না। আবার যেই কে সেই। ঋতাভরী বলেছেন,পরিচালক,উৎপলেন্দু চক্রবর্তী ছিলেন ক্রনিক অ্যালকোহলিক।ওই জন্য মদ নিয়ে, ঋতাভরীর বিশাল একটা সমস্যা আছে। যে কোনো পার্টিতে যখন হুইস্কির আসরটা শুরু হয়, ঋতাভরী নিজেকে আসতে আসতে গুটিয়ে নেন। এখনো সহ্য করতে পারেন না।

ওই অ্যালকোহল ট্রমাটা তাঁর কাছে এখনো খুব স্ট্রং।উল্লেখ্য, এর আগে এক সাক্ষাৎকারে বাবা উৎপলেন্দু প্রসঙ্গে ঋতাভরী জানিয়েছিলেন, লোকটাকে চোখেই দেখেন নি। শুধু কথা শুনেছেন। তাঁর মা আর তাঁর দিদিকে কী কী সহ্য করতে হয়েছে সেগুলো শুনেছেন। আর হালকা কিছু স্মৃতি আছে চার বছর বয়সের। তবে এখন আর কোনো অশ্লীল কথা বলতে চান না। পরে ২০২৪ সালের ২০ আগস্ট মারা যান ঋতাভরীর বাবা পরিচালক উৎপলেন্দু চক্রবর্তী।