‘জেলে’ পাঠানোর প্রসঙ্গে ক্ষুব্ধ রিতেশ

0
45
ছবি সৌজন্যে : এক্স

লক আপ,সচ ইয়া সাজা’র ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে। নেটফ্লিক্সের এই রিয়েলিটি শোতে সঞ্চালকের ভূমিকায় দেখা যাবে অভিনেতা-পরিচালক রিতেশ দেশমুখ, আর পরিচালক-কোরিওগ্রাফার ফারহা খানকে। লক আপ-এর ট্রেলার মুক্তি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এই দুই তারকা। তাঁরা তিন প্রতিযোগীর নাম ওপেন করার পাশাপাশি সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দিয়েছিলেন। তবে সালমান খান ও সঞ্জয় দত্তকে ঘিরে এক বিতর্কিত প্রশ্নে রীতিমতো রেগে যান রিতেশ। মুম্বাইয়ের লক আপ-এর ট্রেলার মুক্তি উপলক্ষে বর্ণিল আয়োজন করা হয়েছিল।

এই আসরে প্রযোজক একতা কাপুর, নেটফ্লিক্স ইন্ডিয়ার ভাইস প্রেসিডেন্ট মনিকা শেরগিল, রিতেশ দেশমুখ আর ফারহা খান ছাড়া উপস্থিত ছিলেন তিন প্রতিযোগী। সংবাদ সম্মেলনের সময় রিতেশকে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, সালমান খান ও সঞ্জয় দত্ত আপনার খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। দুজনেরই লকআপে থাকার অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাহলে আপনি কী তাঁদের লক আপ-এ আনতে চাইবেন? আর তাঁদের কী শাস্তি দেবেন? তবে এই প্রশ্নটি সালমান ও সঞ্জয়ের অতীতের আইনি বিতর্ককে ইঙ্গিত করে। এই প্রশ্নে রীতিমতো বিরক্ত হন রিতেশ। তাঁকে দৃশ্যতই ক্ষুব্ধ দেখায়। তিনি প্রশ্নটি এড়িয়ে না গিয়ে কড়া জবাব দেন। অভিনেতা বলেন, সবার আগে, আমি মনে করি না আপনার এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে এটাকে কোনো প্রকার মর্যাদা দিতে।এরপর রিতেশকে আবার জিজ্ঞাসা করা হয়, তিনি কি তাঁদের আমন্ত্রণ জানাতে চাইবেন?

উত্তরে অভিনেতা স্পষ্ট বলেন, আমি কাউকে নিয়ে আসব না, কারণ আমার দায়িত্ব সঞ্চালনা করা। আর একজন সঞ্চালক হিসেবে শোতে কারা ইনমেট হিসেবে আসবেন, তা আমি জানি না। লক আপ-এ যে অতিথিরাই আসেন, আমরা তাঁদের সঙ্গে কথা বলি। উল্লেখ্য, এর আগে ১৯৯৮ সালের কৃষ্ণসার শিকার মামলায় যোধপুর আদালত সালমান খানকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। অন্যদিকে ১৯৯৩ সালের মুম্বাই বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত অবৈধ অস্ত্র রাখার দায়ে আর্মস অ্যাক্টের অধীনে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর সঞ্জয় দত্ত পুনের ইয়েরওয়াড়া জেলে পাঁচ বছরের সাজা ভোগ করেছিলেন।