
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, রোবট নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে। এর মধ্যে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে জার্মান সিরিজ ক্যাসান্দ্রা। ৫০ বছর আগের একটি রোবট নিয়ে বানানো সিরিজটি আজকের দিনেও মাথা ঘুরিয়ে দিতে পারে।
ইতিমধ্যে ভৌতিক সায়েন্স ফিকশন সিরিজটিকে রটেন টমাটোজে সমালোচকেরা ১০০ ভাগ ইতিবাচক রেটিং দিয়েছেন। ছ’ পর্বের মিনি সিরিজটি নেটফ্লিক্সের বেশি দেখা সিরিজের তালিকার শীর্ষে রয়েছে।গল্পে,সামিরা ও ডেভিভ প্রিল দম্পতির রয়েছে একটি ভয়ংকর অতীত। সেখান থেকে বের হয়ে আসতে তারা নতুন জায়গায় একটি বাড়ি কেনে।দুই সন্তানসহ তারা সেখানে চলে আসে। নতুন বাড়িতে আসার পরই তারা এত সুন্দর আর গোছানো বাসা দেখে অবাক হয়। তারা আরও অবাক হয়, যখন দেখতে পায় এই বাড়িতে রয়েছে একটি পুরোনো ধাঁচের রোবট,ক্যাসান্দ্রা।ক্যাসান্দ্রা একটি পুরোনো এআই সিস্টেম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত রোবট।যদিও সেটি ৫০ বছর ধরে নিষ্ক্রিয় ছিল।কিন্তু প্রিল দম্পত্তি বাড়িতে প্রবেশ করার পরই সিস্টেমটি নিজে থেকেই চালু হয়ে যায়।মাথায় একটি টেলিভিশন স্ক্রিন লাগানো,লাল রঙের লম্বা ক্যাসান্দ্রা নিজেকে পারিবারিক কাজের সহায়ক হিসেবে পরিচয় দেয়। যে যাবতীয় ছোটখাটো কাজ করতে পারে,কাপড় ধোয়া, ঘাস কাটা, সকালের কফি বানানো,খাবার বানানোয় সাহায্য করা।কিন্তু ঘটনা অন্যদিকে মোড় নিতে থাকে, যখন প্রকাশ পায় ক্যাসান্দ্রা কারও কমান্ড ছাড়াই কাজ করতে পারে।এদিকে ঘর গোছাতে গিয়ে সামিরার নজরে আসে কিছু পুরোনো ছবি। সে ছবি দেখতে গিয়ে সে ক্যাসান্দ্রার সঙ্গে এক মহিলার চেহারার মিল খুঁজে পায়। কিন্তু এ কথা সবাইকে জানানোর আগেই ঘটে যায় এক দুর্ঘটনা। এতে সবাই সামিরাকেই ভুল বোঝে।কিন্তু কেন এমন হয়? ক্যাসান্দ্রা সিরিজে হাত ধরাধরি করে এগিয়ে যায় ৫০ বছরের আগে–পরের দুটি ভিন্ন সময়ের গল্প।পরিবারের প্রতি ভালোবাসা ও প্রযুক্তির বিপদকে চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে এই সিরিজে।
তবে সিরিজটির মৌলিকত্ব এর রোমাঞ্চকর ভৌতিক আবহ।গল্পের গতি কিছুটা ধীরে হলেও গল্পের মধ্যে উঠে আসা ছোট ছোট ঘটনা বারবার গায়ে কাঁটা দেয়। গল্প যত এগোয়, ভয়ের পরিমাণও বাড়তে থাকে।








