
ক্যারিয়ারের ৬৭তম হ্যাটট্রিকের খুব কাছেই ছিলেন ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। সৌদি প্রো লিগে আল আখদৌদের বিপক্ষে তিনবার বল জালে জড়ালেও ভিএআরের সিদ্ধান্তে বাতিল হয়ে যায় তার একটি গোল।
ফলে হ্যাটট্রিকের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হলেও জোড়া গোলেই ম্যাচের নায়ক হয়ে ওঠেন পর্তুগিজ মহাতারকা।রোনালদোর দু’ গোলের সঙ্গে পর্তুগিজ সতীর্থ জোয়াও ফিলিক্সের এক গোল যোগ হয়ে আল নাসর ৩-০ ব্যবধানে জয় পায়। প্রায় এক মাস পর লিগে মাঠে নেমেই গোলের খাতায় নাম লেখান ৪০ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড, ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। এই জোড়া গোলেই রোনালদো স্পর্শ করেছেন ৬৫ বছরের পুরোনো এক ঐতিহাসিক রেকর্ড। ৩০ বছর বয়সের পর সর্বোচ্চ গোল করার কীর্তিতে তিনি ভাগ বসান ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ফুটবলার রনি রুকের সঙ্গে। তথ্য অনুযায়ী, ৩০ পেরোনোর পর রনি রুক করেছিলেন ৪৯৩ গোল। যে রেকর্ডটি দীর্ঘদিন এককভাবে তার দখলেই ছিল।অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, রোনালদোর ক্যারিয়ারে ৩০ পেরোনোর পর গোলসংখ্যা ৩০ এর আগের সময়ের চেয়েও বেশি। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৩০ বছরে পা রাখার সময় তিনি খেলেছিলেন ৭১৮ ম্যাচ, যেখানে গোল করেছিলেন ৪৬৩টি। এরপর গত এক দশকে রোনালদো করেছেন ৪৯৩ গোল, অর্থাৎ গড়ে প্রতি ১২২ মিনিটে একটি করে গোল। বয়স যে তার কাছে শুধুই একটি সংখ্যা, তা আবারও প্রমাণ করলেন সিআর সেভেন।
উল্লেখ্য রনি রুক ১৯৪১ সালে ৩০ বছরে পা রাখার পর টানা দু’ দশক ইউরোপের বিভিন্ন স্তরের ফুটবলে খেলেছেন। আর্সেনাল ও ক্রিস্টাল প্যালেসে খেললেও তার সবচেয়ে উজ্জ্বল সময় কেটেছে ফুলহামে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুর আগে ফুলহামের হয়ে লিগে ৮৭ ম্যাচে ৫৭ গোল করেন রনি রুক।
