
বিয়ের পাঁচ মাসের মাথায় বধূর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে লখনউয়ে। স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন মার্চেন্ট নেভি অফিসার স্বামী। মধুর বাপের বাড়ির দাবি, ১৫ লক্ষ টাকা পণ দিতে না-পারায় তাদের মেয়েকে দিনের পর দিন অত্যাচার করেছেন জামাই।
এমনকি, মধুর গর্ভের সন্তান নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। যদিও অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন অভিযুক্ত। চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি মধু এবং অনুরাগের চার হাত এক হয়। মধুর পরিবারের দাবি, বিয়ের পর জামাই ১৫ লক্ষ টাকা পণ চেয়েছিলেন। কিন্তু শ্বশুরবাড়ির তরফে জামাইকে জানানো হয়েছিল, মেরে কেটে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জোগাড় করতে পারেন। তখন মুখে কিছুই বলেননি অনুরাগ। কিন্তু বাড়িতে স্ত্রীর উপর অত্যাচার শুরু করেন তিনি। দিন দুই আগে শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে স্ত্রীর আত্মহত্যার খবর দেন অনুরাগ। কিন্তু মধুর বাবা পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন, মেয়েকে খুন করেছেন জামাই।
৩২ বছরের যুবতীর রহস্যমৃত্যুতে স্বামীর বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসা, খুন-সহ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, জেল হেফাজতে নেওয়ার সময় অনুরাগ ধূমপান করতে চান।
