
পাকিস্তানের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্ব ভারতের আস্থা হারিয়েছে। তবে পাকিস্তানের মতো দেশের বিরুদ্ধে ভারত কঠোর হলেও, আলোচনার রাস্তা খোলা রাখা উচিত, বার্তা রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের।
সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরএসএস-এর সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে বলেছেন, যে কোনও দেশের নিরাপত্তা ও আত্মসম্মান রক্ষা করার অধিকার রয়েছে। বর্তমান সরকারের এই বিষয়টি খেয়াল রাখা উচিত। কিন্তু একইসঙ্গে কূটনৈতিক দরজা পুরোপুরি বন্ধ রাখা উচিত নয়। পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে। পাশাপাশি আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, দু’ দেশের মধ্যে অচলাবস্থা ভাঙতে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ। এই মুহূর্তে সেই পথই অনুসরণ করা উচিত।একইসঙ্গে,প্রচলিত কূটনৈতিক চ্যানেলের বাইরে ট্র্যাক টু কূটনীতি নিয়ে সরকার নীরব থাকলেও, বিরোধী দলের নেতা-সহ বহু বিশিষ্টজন দুই দেশের সুশীল সমাজের মধ্যে কথাবার্তা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে মত দিয়ে এসেছেন। এই প্রসঙ্গে আরএসএস নেতা বলেছেন, তিনি মনে করেন এটাই একমাত্র আশা, তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন শেষ পর্যন্ত সুশীল সমাজই দু’ দেশের সম্পর্কের উন্নতিতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেবে।
কারণ দু’ দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বন্ধন রয়েছে। একটা সময় একই জাতি ছিল,এই বিষয়ের উপরই জোর দেওয়া উচিত দু’ পক্ষের,বলেছেন আরএসএস-এর সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলে।








