গেরুয়া বসনে বেলুড়মঠে রুক্মিণী

0
162
ছবি সৌজন্যে : সোশ্যাল মিডিয়া

পরনে গেরুয়া বসন, বেলুড়মঠে গিয়ে স্বামী গৌতমানন্দজী মহারাজের পা ছুঁয়ে আশীর্বাদ নিয়েছেন রুক্মিণী মৈত্র। বাস্তবের বিনোদিনী নিজের জীবনে রামকৃষ্ণদেবের আশীর্বাদধন্যা হয়েছিলেন। যাঁর নাটক দেখে অশ্রুসিক্ত হয়েছিলেন খোদ পরমহংস।

তাই তাঁর নামের সিনেমা মুক্তির আগে পরিচালক রামকমল মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে অভিনেত্রীও ছুটে গিয়েছিলেন বেলুড়মঠে। সেখান থেকে ফিরেই পরিচালক রামকমল জানিয়েছেন,তাঁর প্রথম বাংলা সিনেমা বিনোদিনী একটি নটীর উপাখ্যান’কে তিনি শ্রীরামকৃষ্ণের চরণে সমর্পণ করেছেন। বেলুড়মঠের মহারাজের সান্নিধ্য পেয়ে আপ্লুত রুক্মিণী জানিয়েছেন, ১৪০ বছর আগে শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণদেবের আশীর্বাদ পেয়েছিলেন নাট্য মঞ্চের কিংবদন্তী অভিনেত্রী বিনোদিনী দাসী।তাঁর পথ অনুসরণ করে তিনি এবং পরিচালক রাম কমল বেলুড়মঠে শ্রীরামকৃষ্ণ মন্দিরে উপস্থিত হয়েছিলেন তাঁর আশীর্বাদ নিতে। ছবি মুক্তির আগে চৈতন্য লীলার কীর্তন হরি মন মজায়ে গানটি প্রকাশ করেছেন বেলুড় মঠের প্রেসিডেন্ট মহারাজ পূজ্যপাদ শ্রীমৎ স্বামী গৌতমানন্দজী মহারাজ।রুক্মিণীর জন্য এ যে পরমপ্রাপ্তি তা বলাই বাহুল্য।পাঁচ পাঁচটা বছর, একই চরিত্রের সঙ্গে সহবাস, চারটিখানি কথা নয়। বাংলার কিংবদন্তী থিয়েটার ক্যুইন-এর চরিত্র আত্মস্থ করার জন্য বেজায় কসরতও করতে হয়েছে রুক্মিণী মৈত্রকে।

আর সেই কঠোর পরিশ্রমের ফল রুক্মিণী হাতেনাতে পাচ্ছেন টিজার, ট্রেলার মুক্তির পর থেকে।টলিউডের বন্ধু, সহকর্মীরা তো বটেই, এমনকী বাংলার গণ্ডি ছাড়িয়ে ন্যাশনাল স্কুল অফ ড্রামা এবং বলিউড পরিচালিক আশুতোষ গোয়ারিকরের তরফেও প্রশংসা কুড়িয়েছেন রামকমলের বিনোদিনী।