
মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিসহ ইরানের হামলার শিকার হওয়া শহরগুলোর মধ্যে একটি শহর বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে, আর সেটি হলো দুবাই।
ইরানের হামলায় দুবাই বিমানবন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শহরটির বেশ কিছু বিলাসবহুল হোটেল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত।আরব আমিরশাহির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, সোমবারও তারা বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার জেরে তেহরানে নিজেদের দূতাবাস বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে আমিরশাহি। এ পরিস্থিতিতে দুবাই থেকে অনেকে পার্শ্ববর্তী ওমানের দিকে ছুটছেন। গাড়ি চালিয়ে ওমান যেতে সময় লাগে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা। সেখানে এ পর্যন্ত যুদ্ধের প্রভাব তেমনটা পড়েনি। ওমানের মাসকাট বিমানবন্দর এখনো চালু রয়েছে। তবে সেখানে ফ্লাইট ছাড়তে কিছুটা দেরি হচ্ছে।সংযুক্ত আরব আমিরশাহির, ইউএই, সাতটি আমিরাতের মধ্যে অন্যতম এই দুবাই হলো ওই অঞ্চলের আমোদ-প্রমোদ ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র, যেখানে বড় বড় সব ব্যবসায়িক চুক্তি সম্পন্ন ও উদযাপন করা হয়। তবে দুবাইয়ে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে তেহরানের হামলা এবং বিমানবন্দর বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সেখানে বসবাসরত ধনীরা বিপাকে পড়েছেন।গুরুত্বপূর্ণ এ বাণিজ্যনগরী ছাড়তে এখন প্রাইভেট জেটই এই ধনীদের একমাত্র ভরসা।
ফলে বিকল্প পথে দেশ ছাড়ার হিড়িকে ব্যক্তিগত বিমানের ভাড়া আকাশ ছুঁয়েছে। বিভিন্ন অনলাইন টিকিট বুকিং সাইটের তথ্য অনুযায়ী, ওমানের মাসকাট থেকে ইউরোপগামী অধিকাংশ বাণিজ্যিক ফ্লাইটের টিকিট চলতি সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত ফুরিয়ে গেছে। এদিকে, মাসকাট থেকে প্রাইভেট জেটের ভাড়া বেড়েছে অনেক। ব্যাপক চাহিদা ও অস্থিতিশীল এ অঞ্চলে পর্যাপ্ত উড়োজাহাজের অভাবে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি।








