
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী সাধারণত একজন রাষ্ট্রপ্রধান তার মেয়াদকালে অন্য কোনো দেশে একবারই রাষ্ট্রীয় সফর করেন। তবে সেই প্রচলিত নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটিয়ে আবারও কাজাখস্তানে রাষ্ট্রীয় সফরে গেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
তিন দিনের এই সফরকে মস্কো ও আস্তানার মধ্যকার ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। এই সফর চলবে ২৯ মে পর্যন্ত। কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সফরটিকে রাশিয়া-কাজাখস্তান সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।সফরকালে কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ নিজে আস্তানা বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে পুতিনকে স্বাগত জানিয়েছেন।বিশ্লেষকদের মতে, আনুষ্ঠানিক বৈঠকের বাইরেও এ ধরনের অনানুষ্ঠানিক আলোচনা দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন এবং গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে বড় ভূমিকা রাখে। উল্লেখ্য,গত সাত বছরেরও কম সময়ে এটি প্রেসিডেন্ট পুতিন ও তোকায়েভের মধ্যে ৩৯তম ব্যক্তিগত সাক্ষাৎ।অন্যদিকে এই সফরটি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে আরেকটি কারণে।
কূটনৈতিক প্রথা অনুযায়ী সাধারণত একজন রাষ্ট্রপ্রধান তার মেয়াদকালে অন্য কোনো দেশে একবারই রাষ্ট্রীয় সফর করেন।তবে কাজাখস্তানের বিশেষ আমন্ত্রণে প্রেসিডেন্ট পুতিন এবার দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রীয় সফরে দেশটিতে যাচ্ছেন। একে দু’ দেশের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।




