লিবিয়াকে কৌশলগত কেন্দ্র করতে চায় রাশিয়া?

0
84
ছবি  সৌজন্যে : রিপ্রেসেন্টেশনাল 

সিরিয়ায় রুশ মিত্র বাশার আল-আসাদের পতনে ক্রেমলিনের ভূমধ্যসাগরীয় ও আফ্রিকান কৌশল বিপর্যস্ত হয়েছে। এর ফলে লিবিয়াকে সম্ভাব্য কৌশলগত কেন্দ্র হিসেবে দেখতে বাধ্য হচ্ছে রাশিয়া—এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রাশিয়া সিরিয়ার উপকূলে একটি সামরিক বন্দর ও বিমানঘাঁটি পরিচালনা করে, যা ভূমধ্যসাগর, মধ্যপ্রাচ্য ও সাব-সাহারান আফ্রিকা, বিশেষ করে সাহেল অঞ্চল, সুদান ও মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় সাহায্য করে। তবে সিরিয়ার শাসকের আকস্মিক প্রস্থানের ফলে এই মডেল এখন ঝুঁকির মুখে।যদিও সিরিয়ার নতুন নেতা আহমেদ আল-শারা রাশিয়াকে একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ বলে উল্লেখ করে বলেছেন, কেউ চাইলেই আমরা রাশিয়াকে সিরিয়া থেকে চলে যেতে দিতে চান না। তবু সিরিয়ার রাজনৈতিক পটপরিবর্তন রাশিয়াকে লিবিয়ায় কৌশলগতভাবে স্থানান্তরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।এদিকে লিবিয়ায় ইতিমধ্যেই রুশ ভাড়াটে সেনারা খলিফা হাফতারের পক্ষে কাজ করছে। তিনি দেশের পূর্বাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করেন এবং তার বিরোধী তুরস্ক সমর্থিত ত্রিপোলিভিত্তিক জাতীয় ঐক্য সরকার ,জিএনইউ, রাষ্ট্রসংঘের স্বীকৃত।উল্লেখ্য,২০২৪ সালের মে মাসে সুইস তদন্তকারী কনসোর্টিয়াম অল আইজ অন ওয়াগনার লিবিয়ার প্রায় ১০টি স্থানে রুশ কার্যক্রম শনাক্ত করে।

এর মধ্যে তোব্রুক বন্দরে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করা হয় ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি ও এপ্রিল মাসে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সেখানে প্রায় ৮০০ রুশ সেনা উপস্থিত ছিলেন, যা মে মাসে বেড়ে এক হাজার ৮০০তে দাঁড়ায়।