
বারুইপুরে নিহত নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে ক্ষোভের মুখে পড়েছেন স্থানীয় সাংসদ সায়নী ঘোষ। কেন তিন দিন পরে এসেছেন তিনি, নির্যাতিতার পরিবার এবং স্থানীয়দের প্রশ্নের মুখে পড়েন তিনি। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভও দেখানো হয়।
লোকজনকে বলতে শোনা গিয়েছে সাংসদ দেরিতে এসেছেন। আগে এলে সুবিধা হতো। কেউ কেউ বলতে থাকেন তিন দিন হয়ে গেল, ছিলেন কোথায়?খোঁজখবর কিছুই নেননি। দরজা আটকানোর চেষ্টাও হয়। সায়নী ঘোষ , কাকলি ঘোষ দস্তিদার, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় পরে প্রবেশ করেন। সায়নী ঘোষ বলেন, তার প্রতি যদি কোনও অভিমান থাকে, ১০০ বার বলতে পারেন। এর পিছনে যেই থাকুক না কেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন তিনি , এবং তার চেয়ে যদি বৃহত্তর কোনও নেক্সাস থাকে, সামনে চারজন আছে বলে, চারজনই নয় কিন্তু। এর পিছনে বড় ব়্যাকেট আছে। পুলিশ, আগের সরকারের ক্ষেত্রে যখন কাজ করেছে, সেই সময় রিলাকট্যান্স ছিল। এখানে যেটা দাবি, প্রথমত, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হবে। জড়িতরা অ্যারেস্ট হচ্ছে। যারা বাইরে আছে, তাদেরও ধরতে হবে।
এটার মূল থেকে উৎখাত করতে হবে। দ্বিতীয় হচ্ছে, জনরোষ তৈরি হয়েছিল। জনরোষ এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যেখানে স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে এখানকার মানুষ এগিয়ে এসেছেন, প্রতিবাদ করেছেন। যে ছোট বোনের সঙ্গে এই ঘটনা ঘটেছে, সকলের কাছের ছিল।








