
সইফ আলি খানকে হামলার আগে ১ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছিল দুষ্কৃতী। প্রাথমিক তদন্তে এমনই বিস্ফোরক তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
ঠিক এই সময় স্মৃতিতে উস্কে উঠছে একটি ছবির নাম, হাম সাথ সাথ হ্যায়। সলমন খান, মনীষ বেহলের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল সাইফ আলি খানকেও। আর এই ছবির শুটিংয়ের সময়ই সলমন খানের বিরুদ্ধে উঠেছিল কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ। ২৬ বছর আগে সেই শিকারে সঙ্গ দিয়েছিলেন সইফ আলি খানও।এই শিকারের কারণেই লরেন্স বিষ্ণোই ও তাঁর দলবল সলমন খানের শত্রু হয়ে উঠেছে।এবার সইফ আলি খানের ঘটনা নিয়ে ফের এই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।অন্যদিকে, সইফ আলি খানের জখম পরিচারিকার দাবি, বুধবার রাত আড়াইটে নাগাদ অভিনেতার ছোট ছেলে জে-র ঘরে ছিলেন। সেই সময় শৌচালয়ের কাছে কারও ছায়া দেখতে পান তিনি। ভাবেন হয়তো করিনা কাপূর তাঁর সন্তানের ঘরে আসছে। তবে কয়েক মিনিট পর তিনি বুঝতে পারেন কেউ ঘরে ঢুকছে না। অথচ শৌচালয়ের আশেপাশে ঘুরপাক খাচ্ছে। ঘর থেকে তখন বেরন পরিচারিকা। ওই দুষ্কৃতী সেই সময় তাঁর উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। স্বাভাবিকভাবেই চিৎকার করে ওঠেন পরিচারিকা। অভিযোগ, ওই দুষ্কৃতী আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখায় পরিচারিকাকে। এরপরই পরিচারিকার কাছ থেকে ১ কোটি টাকা দাবি করে দুষ্কৃতী। পরিচারিকা বিপুল টাকা দিতে অস্বীকার করে। তা নিয়ে দুপক্ষের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হয়। কথাকাটাকাটির মধ্যে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন সইফ আলি খান। তিনি দুষ্কৃতিকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন।
তখনই পরপর তাঁর উপর এলোপাথাড়ি ধারাল অস্ত্রের কোপ চালায় সে। অন্যদিকে, আহত সইফ আলি খানকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছেন শাহরুখ খান, রনবীর কাপুর, আলিয়া ভাটরা। বাবাকে দেখতে সকালেই লীলাবতী হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছিলেন সারা আলি খান।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বোন সোয়া আলি খান, কুণাল খেমু।
