
মেঘালয়ের কাছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ডাউকি নদী পেরিয়ে এদেশে ঢুকেছিলেন সইফ আলি-কাণ্ডে ধৃত অভিযুক্ত শরিফুল। পুলিশ সূত্রে দাবি, তারপর তিনি চলে আসেন পশ্চিমবঙ্গে।
এ রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলা ঘুরে কাজের সন্ধানে চলে যান মুম্বই। কয়েক সপ্তাহ পশ্চিমবঙ্গে থেকে আধার কার্ড তৈরির চেষ্টা করেছিলেন শরিফুল ওরফে বিজয় দাস। তবে সে চেষ্টা তাঁর সফল হয়নি। কিন্তু, পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা এক মহিলার নামে ওই সিমকার্ড হাতে পান শরিফুল। মুম্বইয়ে গিয়ে একের পর এক কাজের সন্ধান করতে থাকেন সইফ কাণ্ডে ধৃত শরিফুল। তিনি সেই সমস্ত জায়গাতেই কাজের সন্ধান করতেন, যেখানে নাগরিকত্ব প্রমাণের কোনও নথি প্রয়োজন হতো না। এ বিষয়ে তাঁকে সাহায্য করেছিলেন অমিত পান্ডে নামে এক ঠিকাদার। পুলিশের দাবি, গত কয়েক মাসে একাধিকবার ওই সিম থেকে বাংলাদেশের একাধিক নম্বরে ফোন করা হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে শরিফুল একাধিক অ্যাপও ব্যবহার করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃত শরিফুল ইসলাম শেহাজাদকে বলিউড তারকা সইফ আলি খানের বাড়ি নিয়ে যেতে পারে মুম্বই পুলিশ। সইফের উপর হামলার অভিযোগে গত রবিবার বান্দ্রা আদালতে পেশ করানো হয় ধৃত শরিফুলকে।
কিন্তু সে দিনই তাঁর আইনজীবী সন্দীপ শেরানি দাবি করেছিলেন, পুলিশের হাতে এমন কোনও নথি নেই, যাতে প্রমাণ হয় ধৃত আদতে বাংলাদেশের নাগরিক। তবে সোমবার মুম্বই পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছে, ধৃত শরিফুল যে আদতে বাংলাদেশি নাগরিক, তার প্রমাণ তারা পেয়েছে।






