
মেয়র পারিষদ, বরো চেয়ারম্যানরা পদত্যাগ করছেন বলেই কি ফিরহাদ হাকিম মেয়র পদে পদত্যাগ করেছেন। পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি কাউন্সিলর তথা বিধায়ক সজল ঘোষ।
খোঁচা দিয়ে বলেছেন তৃণমূলের লোকেরা যে পদত্যাগ করতে পারেন তা তাঁর জানা ছিল না। ৪ তারিখের পর এরা যেভাবে পদত্যাগ করছেন, তাতে দেখে ভালো লাগছে যে এরাও পদত্যাগ করতে পারেন। মেয়র ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষ, মীনাদেবী পুরোহিতরা। সেখান থেকেই তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন মেয়র পদত্যাগ করেছেন, এদিকে চেয়ারপার্সন বলছেন ১৯ তারিখ হাউস বসাবেন। এদের নিজের মধ্যে সমন্বয় নেই। এদিকে মেয়র ইস্তফা দিতেই কলকাতা পুরসভায় যে উদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এই অবস্থায় জনগণকে পরিষেবা দিতে কেন পুরবোর্ড ভেঙে দেওয়া হবে না। রাজ্য সরকারের তরফে পুরসভার কাছে নোটিস দেওয়া হয়েছে। ৩ দিনের মধ্যে এর জবাব দিতেও বলা হয়েছে।
১৯৮০-র কলকাতা মিউনিসিপ্যাল অ্যাক্ট অনুযায়ী যদি রাজ্য সরকার মনে করে কলকাতা পুরসভা পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যর্থ হচ্ছে তাহলে সেই পুরসভাকে ভেঙে দিতে পারে রাজ্য সরকার। সেই আইন মোতাবেক রাজ্যপালের অনুমতিক্রমে রাজ্য সরকারের তরফে পুরসভাকে নোটিস দেওয়া হয়েছে।
