
পাপারাজ্জির উপরে ভয়ানক চটেছেন সলমন খান। হাসপাতাল থেকে বেরনোর সময় চিত্রসাংবাদিকরা লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে ছবি তুলছিলেন ,ভাইজান-এর। তা দেখে নিজেকে আর সামলাতে পারেননি তিনি। প্রথমে ক্রুদ্ধ চোখে ইশারায় বোঝালেন ব্যাপারটা তিনি একেবারেই পছন্দ করছেন না।
এরপর সোশাল মিডিয়ায় একাধিক পোস্টে উগরে দিয়েছেন ক্ষোভ। মনে করিয়ে দিয়েছেন, তাঁর বয়স ষাট বছর হলেও লড়তে তিনি ভোলেননি। প্রশ্ন তুলেছেন, ওই পাপারাজ্জিদের পরিবারের কেউ হাসপাতালে ভর্তি থাকলে তিনি এমনই কিছু করলে কি সেটা তাঁদের ভালো লাগত।ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে গিয়েছে এর মধ্যেই। সেই ভিডিওয় সলমনকে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে। সেই সময়ই ছবি-শিকারীরা চিৎকার করতে থাকেন তাঁর নাম ধরে। এমনকী,মাতৃভূমি নিয়েও প্রশ্ন করতে থাকেন। এতেই মেজাজ হারান সলমন। বারবার ইশারা করতে বোঝাতে চাইছিলেন, এভাবে হাসপাতালে তাঁকে অনুসরণ করা হচ্ছে কেন।এরপরই বাড়ি ফিরে সোশাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সুপারস্টার। লিখেছেন, হাসপাতালে আমার যন্ত্রণাকে উপভোগ করতে দেখলাম প্রেসকে। সেই প্রেস, যাদের পাশে আমি দাঁড়িয়েছি, যোগাযোগ রেখেছি, খেয়ালও, যাতে তারা তাদের রুটিরুজি চালাতে পারে। পরে আরও একটি পোস্টে তাঁকে লিখতে দেখা যায়, কিন্তু আজ যদি তারা আমার ক্ষতি থেকে উপার্জন করতে চায়, থামিয়ে দেব। মোটেই উপভোগ করব না। ভাই ভাই ভাই, মাতৃভূমির নিকুচি করেছে। ছবি বেশি গুরুত্বপূর্ণ নাকি জীবন? এখানেই থামেননি সলমন খান। আরও একটি পোস্টে লিখেছেন, আমি একশোজনকে জ্বালিয়ে দিতে পারি। ভাইয়ের দুঃখ নিয়ে ফের ট্রাই করতে এসো। করেই দেখো না ট্রাই। তোমাদের কোনও প্রিয়জন হাসপাতালে থাকলে আমি কি এমন করতাম?
সবশেষের পোস্টে তিনি লেখেন, ষাট বছর বয়স হল, কিন্তু লড়তে ভুলিনি। মনে রেখো… জেলে ভরবে নাকি? হা হা…।এদিকে এটা পরিষ্কার নয় সলমন খান কেন হাসপাতালে এসেছিলেন। প্রশ্ন উঠছেন, তিনি কি কোনও অসুখের চিকিৎসা করানোর জন্য এসেছিলেন? এই বিষয়ে কিছুই এখনও জানা যায়নি।





