
সরকারি আইনজীবীকে মারধরে অভিযুক্ত পুলিশকর্মীকে ক্লোজ করা হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ না আসা পর্যন্ত অভিযুক্ত পুলিশকর্মী তুষার কুমার মজুমদারে কোনও কাজে দায়িত্ব দেওয়া যাবে না।
পাশাপাশি বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। জখম সরকারি আইনজীবী মনজেন্দ্রনারায়ণ বিভিন্ন মামলায় কার্যত রাজ্য তথা পুলিশের হয়ে সওয়াল করেন। সেই আইনজীবীই পুলিশের হাতে আক্রান্ত হওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে বার অ্যাসোসিয়েশন। প্রতিবাদে শুক্রবার হাইকোর্টে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছে। দোষী পুলিশকর্মীরা যতক্ষণ না পর্যন্ত শাস্তি পাচ্ছে ততক্ষণ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে। বুধবার রাতে পুলিশের মারে সরকারি আইনজীবী কোমর ভাঙার অভিযোগ ওঠে। কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রণেন্দ্রনারায়ণ রায়ের আইনজীবী ছেলেকে রাস্তায় ফেলে মারধরের অভিযোগ উঠেছে মদ্যপ ২ পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে বুধবার রাতে সল্টলেকের একে ব্লকে গাড়ি আনতে যাচ্ছিলেন হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতির নাতি সৌরীন্দ্রনারায়ণ রায়। অভিযোগ সেই সময় সিভিল ড্রেসে থাকা ২ জন পুলিশকর্মী তাঁকে আটকায়। অভিযোগ তাঁরা মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। পরিচয় জানতে চেয়ে কেস দিয়ে দেওয়ার ভয় দেখায়। এরপরেই বচসা শুরু হয়। অভিযোগ তখনই ২ পুলিশকর্মী তাঁকে রাস্তায় ফেলে মারতে থাকে। কোনওরকমে বাবাকে ফোন করেন সৌরীন্দ্রনারায়ণ। সেই সময় সৌরীন্দ্র-র বাবা সরকারি আইনজীবী মনুজেন্দ্রনারায়ণ চেম্বারে ছিলেন। ছেলেকে বাঁচাতে এলে তাঁকেও মারধর করে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়।
অভিযোগ এতেই পেলভিসের বাঁ দিকের হাড় ভেঙে গিয়েছে তাঁর। গুরুতর জখম অবস্থায় মণিপাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে মনুজেন্দ্রনারায়ণকে। বিধাননগর পূর্ব থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।
