
দক্ষিণ হাওড়ার বিজেপি যুব মোর্চার সম্পাদক থেকে পথ চলা শুরু। এরপর ১৯৭৪ সালে হাওড়ার মন্দিরতলায় আরএসএসের শাখায় যাতায়াত দিয়ে শুরু তাঁর সঙ্ঘ-পরিবারের পথচলা।
অবশেষে বিজেপির রাজ্য সভাপতি পদে বসে নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন শমীক ভট্টাচার্য। আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্য বিজেপির সভাপতি পদে শমীক ভট্টাচার্যর নাম ঘোষণা করতেই হাততালিতে ফেটে পড়েছে গোটা সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়াম।আর তার সঙ্গেই ঠিক হয়ে গিয়েছে আগামী ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটে তাঁর নেতৃত্বেই লড়াই করবে বঙ্গ বিজেপি। ২০০৬ সালে শ্যামপুকুর থেকে বিজেপির টিকিটে লড়লেও জয় পাননি শমীক। তথাগত রায়ের আমলে দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে দিলীপ ঘোষ সভাপতি হলে ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মুখপাত্র ছিলেন, কিন্তু তখনও প্রকৃত গুরুত্ব পাননি—এই অভিযোগ দলের অন্দরেই ছিল দীর্ঘদিন। ২০১৪-য় প্রথবার বসিরহাট দক্ষিণ থেকে জয়া পেয়েছিলেন শমীক ভট্টাচার্য। কিন্তু ২০১৬-য় ওই কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের দীপেন্দু বিশ্বাসের কাছে পরাজিত হন। এরপর ২০১৯-এ দমদম লোকসভা কেন্দ্র প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায়ের কাছে হেরে গিয়েছিলেন। ২০২১-এ বিধানসভা নির্বাচনে রাজারহাট-গোপালপুর থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও অদিতি মুন্সির কাছে পরাজিত হন। এরপর তিনি বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০২৪-এ কোর কমিটির সদস্যও হন। ১৯৬৩-র ৫ নভেম্বর শমীক ভট্টাচার্য-র জন্ম।
এখন বয়স ৬১ বছর। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ১৯৮৮-তে। দীর্ঘ ৪২ বছর-র বেশি সময় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। জনসংঘের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। পরবর্তীতে বিজেপি। একইসঙ্গে আরএসএসও করতেন। হাওড়া জেলা থেকে জনসংঘের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।







