
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং সেখানকার জনগণকে স্থানান্তরের পরিকল্পনার বিরোধিতায় ঐকমত্যে পৌঁছেছেন আরব নেতারা। মূলত যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার পুনর্গঠন ও ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করতেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়।সৌদি আরবের রিয়াদে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হন আরব নেতারা
বলা হচ্ছে গাজা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত পরিকল্পনার পরিপ্রেক্ষিতে আরব দেশগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, তবে গাজা কার অধীনে থাকবে এবং এর পুনর্গঠনের জন্য অর্থায়নের রূপরেখা কী হবে, তা নিয়ে মতবিরোধ রয়ে গেছে। বৈঠকের প্রকাশিত ছবিতে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের পাশাপাশি মিশর ও জর্ডানের রাষ্ট্রপ্রধানদেরও দেখা গেছে।সৌদি সরকারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, বৈঠকটি সম্পন্ন হয়েছে, তবে আলোচনা অত্যন্ত গোপনীয় হওয়ায় চূড়ান্ত কোনো বিবৃতি প্রকাশ করা হবে না। অন্যদিকে বলা হয়েছে,ভ্রাতৃত্বপূর্ণ পরামর্শমূলক এই বৈঠকে বিশেষত প্যালেস্টাইনি জনগণের প্রতি সমর্থন, গাজা উপত্যকার বর্তমান পরিস্থিতি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা ইস্যুতে মতবিনিময় হয়েছে।মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির অফিস জানিয়েছে,তিনি বাহরাইন, জর্ডান,কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে রিয়াদ ত্যাগ করেছেন।
এর আগে, ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন গাজা উপত্যকা দখলের প্রস্তাব দেন এবং সেখানকার দুই মিলিয়নেরও বেশি প্যালেস্টাইনিকে মিশর ও জর্ডানে স্থানান্তরের কথা বলেন, তখন বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।ওদিকে,১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা হামাস-ইসরায়েল যুদ্ধের ফলে গাজা উপত্যকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রসংঘের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গাজার পুনর্গঠনে ৫৩ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় হতে পারে।






